
বাসররাত থিম কেক – রেড ব্ল্যাঙ্কেট ও মিনি হার্ট
বাসররাত থিম কেক যশোর — লাল কম্বলের নিচে কাপল ফিগার, মিনি হার্ট ও পার্লসহ রোমান্টিক ফন্ড্যান্ট কেক। ঝিকরগাছা ও যশোরে হোম ডেলিভারি, দাম ২৭০৳ থেকে শুরু।
কেকের তথ্য লেখা মেসেজ তৈরি হয়ে থাকবে — শুধু সেন্ড বোতামে চাপ দিন
প্রোডাক্টের সম্পূর্ণ বিবরণ
বাসররাত থিম কেক যশোর — এই নামটাই এখন যশোরের নতুন বিয়ের অনুষ্ঠানগুলোতে সবচেয়ে বেশি খোঁজা মিষ্টি চমক। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে যে রাতটা নতুন দম্পতির জীবনের সবচেয়ে ব্যক্তিগত ও স্মরণীয় মুহূর্ত, সেই রাতটাকে ঘিরে বন্ধু-বান্ধব আর ভাই-বোনদের ছোট্ট দুষ্টুমি-ভরা উপহার হিসেবে এই কেকটির চাহিদা আকাশছোঁয়া। Made by Roshni-র হোমমেড কিচেনে হাতে তৈরি এই কেকটি শুধু একটি ডেজার্ট নয় — এটি একটি গল্প, একটি হাসি, আর ক্যামেরার সামনে একটি অনবদ্য মুহূর্ত।

ঝিকরগাছা থেকে শুরু করে যশোর শহরের প্রতিটি প্রান্তে আমরা এই থিম কেকটি সম্পূর্ণ তাজা অবস্থায় পৌঁছে দিই। কোনো ফ্যাক্টরি প্রোডাকশন নয়, কোনো আগে থেকে বানিয়ে রাখা স্টক নয় — আপনার অর্ডার পাওয়ার পরেই কেকটি বেক হয়, ক্রিম বসে, আর ফন্ড্যান্টের ছোট ছোট ফিগার হাতে গড়া হয়। ফলে যে কেকটি আপনার হাতে পৌঁছায়, সেটি সম্পূর্ণ আপনার অনুষ্ঠানের জন্যই তৈরি।
বাসররাত থিম কেক যশোর — কেন এই কেকটি এত জনপ্রিয়
বাংলাদেশের বিয়ের সংস্কৃতিতে গায়ে হলুদ, বিয়ে, বউভাত — প্রতিটি পর্বেই কেক কাটা এখন প্রায় বাধ্যতামূলক রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এর বাইরে একটি নতুন ট্রেন্ড দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে: বাসররাতের জন্য আলাদা একটি মজার থিম কেক। নতুন বর-কনেকে চমকে দিতে বন্ধুরা লুকিয়ে এই কেকটি অর্ডার করে, ঘরে ঢোকার আগে টেবিলে সাজিয়ে রাখে, আর তারপর যে হাসির রোল ওঠে সেটাই হয়ে যায় সারা জীবনের স্মৃতি।
এই কেকটির বিশেষত্ব হলো এর রসিকতা কখনোই সীমা ছাড়ায় না। ডিজাইনটি ইঙ্গিতপূর্ণ কিন্তু মার্জিত — পরিবারের বড়দের সামনে টেবিলে রাখলেও কেউ অস্বস্তিতে পড়বেন না, আবার তরুণ বন্ধুরা দেখেই হেসে গড়িয়ে পড়বে। এই ভারসাম্যটাই এই কেকটিকে অন্য সব নভেল্টি কেক থেকে আলাদা করে দিয়েছে।
কেকটি দেখতে কেমন — ডিজাইনের বিস্তারিত
কেকটির বেস একটি পরিচ্ছন্ন সাদা গোল কেক। সাদা রঙের এই নিরপেক্ষ ক্যানভাসের উপর লাল রঙের ডিটেইলগুলো এতটাই উজ্জ্বল হয়ে ফুটে ওঠে যে ছবিতে আলাদা কোনো এডিটিং লাগে না। কেকের উপরিভাগের ঠিক মাঝখানে বসানো আছে একটি লাল কম্বল, আর সেই কম্বলের নিচ থেকে বেরিয়ে আছে কাপলের চারটি পা — সবটাই হাতে গড়া ফন্ড্যান্ট দিয়ে বানানো।
এই চারটি পায়ের ভঙ্গিমাটাই কেকটির প্রাণ। দুটি ছোট পা আর দুটি তুলনামূলক বড় পা — এভাবেই বর ও কনের উপস্থিতি বোঝানো হয়। কম্বলের ভাঁজগুলো ফন্ড্যান্টে হাতে তৈরি, তাই প্রতিটি কেকের ভাঁজ একটু একটু আলাদা হয় — এটাই হ্যান্ডমেড কাজের সৌন্দর্য।
কম্বল ও ফিগারের চারপাশে ছড়ানো থাকে ছোট ছোট রেড হার্ট এবং চকচকে পার্ল। হার্টগুলো বিভিন্ন আকারের, কোথাও একটু বড় কোথাও একদম ছোট — ফলে সাজসজ্জায় একটা স্বাভাবিক ছন্দ তৈরি হয়। পার্লগুলো আলো পড়লে মৃদু ঝিলিক দেয়, যা মোমবাতির আলোয় বা রুমের সফট লাইটে দারুণ দেখায়।
কেকের গায়ে লাল অক্ষরে লেখা থাকে "Third Night বাসর" এবং তার সাথে "gift from" লেখার পরে যাঁরা উপহার দিচ্ছেন তাঁদের নাম। এই নাম লেখার অংশটুকুই কেকটিকে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত করে তোলে — উপহারদাতার পরিচয় কেকের গায়েই থেকে যায়, আর ছবিতেও উঠে আসে।
ডিজাইনে যা যা থাকছে
- সাদা গোল বেস কেক — মসৃণ ফিনিশিং, ছবিতে উজ্জ্বল দেখায়
- লাল কম্বল — হাতে গড়া ফন্ড্যান্ট, স্বাভাবিক ভাঁজসহ
- কাপলের চারটি পা — কম্বলের নিচ থেকে বের হওয়া ফন্ড্যান্ট ফিগার
- মিনি রেড হার্ট — কেকের চারপাশে ছড়ানো ছোট ছোট হৃদয়
- পার্ল ডিটেইলিং — চকচকে মুক্তার মতো সাজসজ্জা
- লাল অক্ষরে টেক্সট — "Third Night বাসর" ও "gift from [নাম]"
কোন কোন উপলক্ষে এই কেকটি একদম মানানসই
নাম শুনে মনে হতে পারে এটি শুধু বিয়ের রাতের জন্য, কিন্তু বাস্তবে এই কেকটির ব্যবহার আরও অনেক বিস্তৃত। যশোর ও ঝিকরগাছার গ্রাহকরা নানা উপলক্ষে এটি অর্ডার করেন এবং প্রতিবারই দারুণ সাড়া পান।
- বাসররাতের সারপ্রাইজ — বন্ধু বা কাজিনদের পক্ষ থেকে লুকিয়ে দেওয়া উপহার
- বউভাতের রাতের ছোট্ট আয়োজন — পরিবারের ঘনিষ্ঠদের নিয়ে হালকা মুহূর্ত
- ফার্স্ট ম্যারেজ অ্যানিভার্সারি — প্রথম বছর পূর্তিতে পুরোনো স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে
- হানিমুন সেন্ড-অফ পার্টি — বেড়াতে যাওয়ার আগের রাতের আয়োজনে
- ব্রাইডাল শাওয়ার বা কাজিন গেট-টুগেদার — মেয়েদের ছোট ঘরোয়া আড্ডায়
- বিয়ের পরের প্রথম ঘরোয়া দাওয়াত — নতুন দম্পতিকে আপ্যায়নের সময়
প্রতিটি উপলক্ষেই আমরা কেকের টেক্সট আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বদলে দিতে পারি। "Third Night বাসর"-এর জায়গায় অন্য কোনো বার্তা চাইলে অর্ডারের সময় জানিয়ে দিলেই হবে। আরও নানা ডিজাইনের কেক দেখতে আমাদের শপ পেজে ঘুরে আসতে পারেন।
দাম ও সাইজ — আপনার অতিথি সংখ্যা অনুযায়ী বেছে নিন
কেকের সাইজ বাছাই করার সবচেয়ে সহজ নিয়ম হলো অতিথির সংখ্যা মাথায় রাখা। বাসররাতের কেক সাধারণত খুব বড় দরকার হয় না, কারণ এটি ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের মধ্যেই কাটা হয়। তবে যদি বন্ধুদের বড় দল থাকে বা পরিবারের সবাই একসাথে কাটবেন, তাহলে বড় সাইজ নেওয়াই ভালো।
- ০.৫ পাউন্ড — ২৭০৳ — ২-৪ জনের জন্য, শুধু নবদম্পতি ও কয়েকজন কাছের মানুষ
- ১ পাউন্ড — ৪৫০৳ — ৫-৭ জনের জন্য, সবচেয়ে বেশি অর্ডার হওয়া সাইজ
- ১.৫ পাউন্ড — ৭০০৳ — ৮-১০ জনের জন্য, বন্ধুদের ছোট দলের জন্য আদর্শ
- ২ পাউন্ড — ৯০০৳ — ১১-১৪ জনের জন্য, পরিবারসহ আয়োজনে
- ৩ পাউন্ড — ১৩৫০৳ — ১৬-২০ জনের জন্য, বড় গেট-টুগেদারে
ডিজাইনের সব ডিটেইল — কম্বল, ফিগার, হার্ট, পার্ল ও নাম লেখা — প্রতিটি সাইজেই থাকবে। শুধু বড় সাইজে জায়গা বেশি থাকায় হার্ট ও পার্লের সংখ্যা কিছুটা বাড়ে এবং লেখাটা আরও স্পষ্ট বসে। ছোট সাইজেও ডিজাইনের কোনো অংশ বাদ পড়ে না।
স্বাদ ও ভেতরের উপকরণ
বাইরের চেহারা যত সুন্দরই হোক, কেক শেষ পর্যন্ত খাওয়ার জিনিস। তাই আমরা ভেতরের স্বাদে কোনো আপস করি না। ডিম, মাখন, ময়দা, চিনি ও ভালো মানের ফ্লেভার — সব উপকরণ তাজা কিনে সেদিনই ব্যবহার করা হয়। কোনো কৃত্রিম প্রিজারভেটিভ যোগ করা হয় না, কারণ কেকটি তৈরির দিনেই খাওয়ার জন্য বানানো।
ফ্লেভার আপনি নিজের পছন্দমতো বেছে নিতে পারেন — ভ্যানিলা, চকলেট, স্ট্রবেরি বা অন্য কোনো অপশন। রোমান্টিক থিমের সাথে অনেকেই স্ট্রবেরি বা রেড ভেলভেট ধরনের ফ্লেভার পছন্দ করেন, কারণ কাটার পর ভেতরের লাল আভা বাইরের লাল ডিটেইলের সাথে মিলে যায়। আবার নিরাপদ পছন্দ হিসেবে চকলেট তো সবসময়ই আছে।
স্পঞ্জ রাখা হয় নরম ও হালকা আর্দ্র, যাতে ক্রিমের সাথে মিলে মুখে গলে যায়। ফন্ড্যান্টের ফিগারগুলোও খাওয়ার উপযোগী উপকরণে তৈরি, তবে অনেকে সেগুলো স্মৃতি হিসেবে আলাদা করে রেখে দেন — সেটাও করতে পারেন।
বাসররাত থিম কেক যশোর — অর্ডার করার সহজ পদ্ধতি
অর্ডার প্রক্রিয়া আমরা যতটা সম্ভব সহজ রেখেছি, কারণ বিয়ের সময় এমনিতেই হাতে অসংখ্য কাজ থাকে। ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি অর্ডার করতে পারেন, আবার চাইলে হোয়াটসঅ্যাপ বা ফোনেও বলে দিতে পারেন। কোনো জটিল ফর্ম বা লম্বা প্রক্রিয়া নেই।
ধাপে ধাপে অর্ডার
- ধাপ ১: এই পেজ থেকে আপনার পছন্দের সাইজ ও ফ্লেভার বেছে নিন
- ধাপ ২: কেকের গায়ে যে নাম বা বার্তা লিখতে চান সেটি লিখে দিন
- ধাপ ৩: ডেলিভারির তারিখ, সময় ও ঠিকানা দিন
- ধাপ ৪: আমাদের টিম ফোনে কনফার্ম করবে এবং ডিজাইন নিয়ে আলোচনা করবে
- ধাপ ৫: নির্ধারিত সময়ে তাজা কেক আপনার ঠিকানায় পৌঁছে যাবে
সারপ্রাইজ ডেলিভারির ক্ষেত্রে আমরা বাড়তি সতর্কতা নিই। আপনি চাইলে ডেলিভারির আগে বর-কনেকে ফোন না করে শুধু আপনাকেই কল করা হবে, যাতে চমকটা নষ্ট না হয়। অর্ডারের সময় নোটে "সারপ্রাইজ" লিখে দিলেই আমরা বুঝে নেব।
ঝিকরগাছা ও যশোরে ডেলিভারি
Made by Roshni-র মূল কিচেন ঝিকরগাছায়। তাই ঝিকরগাছা বাজার, কৃষ্ণনগর, গদখালী, নাভারণ, শার্শা এবং আশপাশের এলাকায় আমরা দ্রুততম সময়ে ডেলিভারি দিতে পারি। যশোর সদর, চাঁচড়া, পুলেরহাট, মনিহার, নিউমার্কেট, রেলগেট, ঘোপ, খড়কি — এসব এলাকাতেও নিয়মিত ডেলিভারি হয়।
একটি বাসররাত থিম কেক যশোর শহরের ভেতরে পাঠানোর ক্ষেত্রে আমরা বিশেষ প্যাকেজিং ব্যবহার করি। শক্ত বেস বোর্ড, উঁচু বক্স এবং প্রয়োজনে কুলিং ব্যবস্থা — যাতে ফন্ড্যান্টের ফিগার ও পার্লগুলো রাস্তায় নড়ে না যায়। গরমের দিনে বিকেল বা সন্ধ্যার স্লট নিলে কেক সবচেয়ে ভালো অবস্থায় পৌঁছায়।
বিয়ের অনুষ্ঠান সাধারণত রাতে হয়, তাই আমরা রাতের ডেলিভারিও দিই। তবে খুব রাতের স্লট চাইলে অন্তত একদিন আগে জানানো দরকার। ডেলিভারি চার্জ এলাকা অনুযায়ী নির্ধারিত হয় এবং অর্ডার কনফার্ম করার সময়ই আপনাকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হবে — কোনো লুকানো খরচ নেই।
ডেলিভারি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- ঝিকরগাছার ভেতরে সাধারণত দ্রুততম ডেলিভারি
- যশোর সদর ও আশপাশের থানায় নিয়মিত সার্ভিস
- বিয়ের মৌসুমে অন্তত ২৪-৪৮ ঘণ্টা আগে অর্ডার দেওয়া নিরাপদ
- সারপ্রাইজ ডেলিভারির জন্য আলাদা নোট দেওয়ার সুযোগ
- চাইলে ঝিকরগাছার কিচেন থেকে নিজে সংগ্রহ করার সুবিধাও আছে
কেক সংরক্ষণ ও যত্নের নিয়ম
ফন্ড্যান্টের ডিটেইলওয়ালা কেক একটু যত্ন চায়। কেক হাতে পাওয়ার পর সরাসরি রোদ বা গরম জায়গায় রাখবেন না। ঘরের ফ্যানের নিচে ঠান্ডা জায়গায় রাখলেই সবচেয়ে ভালো থাকে। যদি কাটতে কয়েক ঘণ্টা দেরি হয়, তাহলে ফ্রিজের নরমাল চেম্বারে বক্সসহ রেখে দিন।
কাটার ২০-৩০ মিনিট আগে ফ্রিজ থেকে বের করে ঘরের তাপমাত্রায় রাখুন। এতে স্পঞ্জ আবার নরম হয়ে যায় এবং স্বাদ পুরোপুরি খুলে আসে। ঠান্ডা অবস্থায় সরাসরি কাটলে ক্রিম শক্ত লাগতে পারে।
কাটার সময় বড় ধারালো ছুরি ব্যবহার করুন এবং প্রতিবার কাটার পর ছুরিটা গরম পানিতে ডুবিয়ে মুছে নিন — এতে প্রতিটি স্লাইস পরিষ্কার ও সুন্দর হবে। ছবি তোলার পরিকল্পনা থাকলে কাটার আগেই তুলে ফেলুন, কারণ কম্বল ও ফিগারের ডিজাইনটি অক্ষত অবস্থায় সবচেয়ে সুন্দর দেখায়।
কেটে ফেলার পর বাকি অংশ এয়ারটাইট বক্সে ভরে ফ্রিজে রাখলে পরদিন পর্যন্ত ভালো থাকে। তবে তাজা অবস্থায় সেদিনই খেয়ে ফেলাই সবচেয়ে ভালো, কারণ আমাদের কেকে কোনো কৃত্রিম প্রিজারভেটিভ নেই।
কেন Made by Roshni বেছে নেবেন
যশোরে কেকের দোকান কম নেই, কিন্তু এই ধরনের থিম কেক সবাই বানাতে পারে না। হাতে গড়া ফন্ড্যান্ট ফিগার, সঠিক অনুপাত, পরিষ্কার লেখা — এসবের জন্য আলাদা দক্ষতা লাগে। আমরা প্রতিটি কেক নিজেরা হাতে বানাই, কোনো আউটসোর্স করি না।
দ্বিতীয়ত, আমরা ছবি দেখিয়ে ভিন্ন জিনিস দিই না। আপনি যে ডিজাইন দেখে অর্ডার করছেন, আপনি ঠিক সেটাই পাবেন — হ্যান্ডমেড হওয়ায় সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু মূল ডিজাইন হুবহু একই। আমাদের অন্যান্য কেকের সংগ্রহ দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
তৃতীয়ত, দাম নিয়ে আমরা সম্পূর্ণ স্বচ্ছ। ২৭০৳ থেকে শুরু করে ১৩৫০৳ পর্যন্ত প্রতিটি সাইজের দাম আগেই লেখা আছে। ডিজাইনের জন্য পরে বাড়তি টাকা চাওয়া হয় না।
প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
বাসররাত থিম কেক যশোর শহরে কত সময়ে ডেলিভারি হয়?
যশোর সদর ও আশপাশের এলাকায় সাধারণত একই দিনে ডেলিভারি সম্ভব, যদি সকালের মধ্যে অর্ডার কনফার্ম হয়। তবে ফন্ড্যান্টের কাজ সময়সাপেক্ষ বলে অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে অর্ডার দেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ। বিয়ের মৌসুমে ৪৮ ঘণ্টা আগে জানালে সবচেয়ে ভালো।
কেকের গায়ের লেখা কি বদলানো যাবে?
অবশ্যই। "Third Night বাসর" ও "gift from [নাম]" — দুটোই আপনার পছন্দমতো পরিবর্তন করা যায়। আপনি চাইলে বর-কনের নাম, বিয়ের তারিখ বা নিজেদের ছোট বার্তাও লেখাতে পারেন। অর্ডারের সময় নোটে লিখে দিলেই হবে।
ছোট সাইজেও কি পুরো ডিজাইনটা পাওয়া যাবে?
হ্যাঁ, ০.৫ পাউন্ড সাইজেও লাল কম্বল, চারটি পায়ের ফিগার, মিনি হার্ট ও পার্ল — সবই থাকবে। শুধু জায়গা কম হওয়ায় হার্ট ও পার্লের সংখ্যা তুলনামূলক কম হবে এবং লেখাটা ছোট আকারে বসবে।
ফন্ড্যান্টের ফিগারগুলো কি খাওয়া যায়?
হ্যাঁ, ফিগার ও কম্বল সবই খাওয়ার উপযোগী ফন্ড্যান্ট দিয়ে তৈরি। তবে অনেক গ্রাহক এগুলো স্মৃতি হিসেবে আলাদা করে তুলে রাখেন। আপনি যেটা চান করতে পারেন — দুটোই ঠিক আছে।
সারপ্রাইজ ডেলিভারি কীভাবে নিশ্চিত করব?
অর্ডারের নোটে "সারপ্রাইজ" লিখে দিন এবং যোগাযোগের জন্য শুধু আপনার নম্বর দিন। আমাদের ডেলিভারি টিম গ্রহীতাকে আগে থেকে ফোন করবে না, শুধু আপনার সাথেই সমন্বয় করবে। প্যাকেজিংও সাধারণ রাখা হবে যাতে বাইরে থেকে কিছু বোঝা না যায়।
ঝিকরগাছার বাইরে গ্রামের দিকে ডেলিভারি হয় কি?
হ্যাঁ, ঝিকরগাছা ও যশোরের আশপাশের গ্রামাঞ্চলেও আমরা ডেলিভারি দিই। তবে দূরত্ব অনুযায়ী ডেলিভারি চার্জ ভিন্ন হয় এবং কিছু দূরবর্তী এলাকায় নির্দিষ্ট সময়ের স্লট লাগতে পারে। অর্ডারের আগে আপনার ঠিকানা জানালে আমরা সঠিক তথ্য দিয়ে দেব।
শেষ কথা
বিয়ে জীবনে একবারই আসে, আর বাসররাতের স্মৃতি সারাজীবন থেকে যায়। সেই রাতে একটি সুন্দর, মজার ও ব্যক্তিগত কেক সেই স্মৃতিতে বাড়তি রঙ যোগ করে। সাদা কেকের উপর লাল কম্বল, চারটি ছোট পা, ছড়ানো হার্ট আর মুক্তার ঝিলিক — এই ছবিটা বছরের পর বছর ফোনের গ্যালারিতে থেকে যাবে।
আজই আপনার পছন্দের সাইজ বেছে নিয়ে অর্ডার করুন। ঝিকরগাছা ও যশোরের যেকোনো প্রান্তে আমরা তাজা কেক পৌঁছে দিতে প্রস্তুত। একটি নিখুঁত বাসররাত থিম কেক যশোর — Made by Roshni-র হাতে তৈরি, আপনার মুহূর্তের জন্য।
রিভিউ (০)
এখনও কোনো রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউটি আপনিই দিন!
বাসররাত থিম কেক – রেড ব্ল্যাঙ্কেট ও মিনি হার্ট — যশোরের যেসব এলাকায় ডেলিভারি করি
এই কেকটি যশোর শহর ও আশপাশের এলাকায় হোম ডেলিভারি করা হয়। আপনার এলাকা বেছে নিন:





