বিয়ের কেক — যশোরে বিয়ে ও গায়ে হলুদের কেক
বিয়ের কেক জন্মদিনের কেকের মতো নয় — এখানে অতিথির সংখ্যা অনেক বেশি, আর সেটাই খরচের আসল হিসাব বদলে দেয়। ১৫০ জনের জন্য পুরো টায়ার কেক বানালে খরচ আকাশছোঁয়া হয়ে যায়। তাই যশোরের বেশিরভাগ পরিবার যা করেন এবং আমরাও যা পরামর্শ দিই — কাটার জন্য একটা সুন্দর ছোট টায়ার কেক, আর পরিবেশনের জন্য আলাদা শিট কেক।
- ১০০% হোমমেড ও তাজা
- সময়মতো ডেলিভারি
- কাস্টম ডিজাইন

অর্ডারের পরই বেক করা হয়
আমরা আগে থেকে কেক বানিয়ে রাখি না। আপনার অর্ডার নিশ্চিত হওয়ার পরই বেকিং শুরু হয় — এজন্যই এক-দুই দিন আগে জানাতে বলি, আর এজন্যই কেক আপনার কাছে নরম অবস্থায় পৌঁছায়, ফ্রিজে রাখা শক্ত কেক নয়। সবকিছু ঝিকরগাছার নিজস্ব রান্নাঘরে তৈরি হয়ে যশোর জুড়ে ডেলিভারি হয়।
শো কেক + শিট কেক — খরচ অর্ধেকে নামানোর উপায়
ছবিতে যে কেকটা থাকবে সেটার শুধু সুন্দর দেখানো আর কাটার মতো বড় হওয়াই যথেষ্ট। দুই টায়ারই এর জন্য যথেষ্ট, আর যশোরের প্রায় সব বিয়েতে এটাই ব্যবহার হয়। ১০০+ অতিথিকে শুধু টায়ার কেক থেকে পরিবেশন করতে গেলে দাম কয়েকগুণ বেড়ে যায়, অথচ দেখতে কোনো পার্থক্য হয় না।
তাই আমরা অনুষ্ঠানের জন্য একটা সাজানো দুই টায়ারের কেক বানাই, আর তার পাশে একই ফ্লেভারের সাধারণ শিট কেক — যেগুলো রান্নাঘরে কেটে প্লেটে পরিবেশন করা হয়। অতিথিরা একই কেক পান, আপনি ছবিটাও পান, আর বিলটাও নাগালে থাকে।
- কাটা ও ছবির জন্য সাজানো দুই টায়ারের কেক
- পরিবেশনের জন্য একই ফ্লেভারের শিট কেক
- সব প্লেটে একই স্বাদ, মোট খরচ অনেক কম
- ৫০ থেকে ২০০+ অতিথির জন্য কাজ করে
গায়ে হলুদ ও এনগেজমেন্ট কেক
এনগেজমেন্ট কেক সাধারণত এক টায়ারের হয় কিন্তু সাজসজ্জা বেশি থাকে, প্রায়ই অনুষ্ঠানের রঙের সাথে মিলিয়ে। গায়ে হলুদের কেকে হলুদ-কমলা রঙ প্রাধান্য পায়, অনেকে গাঁদা ফুলের মতো পাইপিং চান ডেকোরেশনের সাথে মিল রেখে।
এগুলো বিয়ের কেকের তুলনায় ছোট কাজ, সাধারণত দুই-তিন দিন আগে জানালেই হয়। তবে বিয়ের মৌসুমে আগেভাগে জিজ্ঞেস করে নেওয়া ভালো।
- আপনার রঙের স্কিমে এক টায়ারের এনগেজমেন্ট কেক
- গায়ে হলুদের জন্য হলুদ-কমলা ঐতিহ্যবাহী ডিজাইন
- অনুষ্ঠানের ডেকোরেশনের সাথে মিলিয়ে দেওয়া যায়
- মৌসুমের বাইরে ২–৩ দিন আগে জানালেই হয়
কত আগে অর্ডার দিতে হবে
অন্তত এক সপ্তাহ। বিয়ের কেক সাধারণ বেকিং দিনের ফাঁকে বানানো যায় না — টায়ারের জন্য স্ট্রাকচার লাগে, ডেকোরেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যায়, আর আমরা ইচ্ছে করেই একসাথে সীমিত সংখ্যক বিয়ের অর্ডার নিই যাতে প্রতিটায় ঠিকমতো মনোযোগ দেওয়া যায়।
বাংলাদেশে বিয়ের মৌসুম নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারিতে জমে। আপনার তারিখ যদি এই সময়ে পড়ে, এক সপ্তাহ নয় — যত আগে সম্ভব বুক করুন।
- সর্বনিম্ন এক সপ্তাহ আগে বুক করুন
- নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি পিক সিজন — আরও আগে বুক করুন
- বিয়ের অর্ডারে আংশিক অগ্রিম লাগে
- অনুষ্ঠানের সময় অনুযায়ী ডেলিভারি পরিকল্পনা করা হয়
অনুষ্ঠানের দিনে ডেলিভারি
কাছের দূরত্বে টায়ার কেক জোড়া লাগানো অবস্থাতেই যায়, আর বেনাপোল, শার্শা বা মণিরামপুরের মতো দূরের পথে আমরা ভেন্যুতে গিয়ে জোড়া লাগাই। ডেলিভারির সময় আপনার অনুষ্ঠানের সময়সূচি ধরে ঠিক করা হয়, যাতে অতিথি আসার আগেই কেক জায়গামতো বসে যায়।
ভেন্যুর ঠিকানা আর এমন একজনের নম্বর দিন যিনি ওইদিন আসলেই ফোন ধরতে পারবেন। বিয়ের দিনে যিনি অর্ডার দিয়েছিলেন তিনি প্রায়ই অনুষ্ঠানের মাঝখানে থাকেন, ফোন ধরার অবস্থায় থাকেন না।
- দূরের ডেলিভারিতে ভেন্যুতে গিয়ে জোড়া লাগানো
- অতিথি আসার আগেই পৌঁছানোর পরিকল্পনা
- বর-কনে নয়, ওইদিন ফোন ধরবেন এমন একজনের নম্বর দিন
- ল্যান্ডমার্কসহ ভেন্যুর ঠিকানা সবচেয়ে কাজে দেয়
বিয়ের কেক নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন
যশোরে বিয়ের কেকের দাম কত?
নির্দিষ্ট রেট নেই — টায়ার সংখ্যা আর ডেকোরেশনের উপর নির্ভর করে। বেশিরভাগ পরিবার ধারণার চেয়ে কম খরচে সেরে ফেলেন, কারণ অনুষ্ঠানের জন্য দুই টায়ারের সাজানো কেক আর পরিবেশনের জন্য শিট কেক নেন। অতিথি সংখ্যা জানিয়ে ০১৯৬৩১৬৬০০৪ নম্বরে ফোন করুন, পুরো হিসাব বলে দেব।
১০০ জন অতিথির জন্য কেক বানানো যাবে?
হ্যাঁ, তবে একটা টায়ার কেক দিয়ে নয় — সেটা অযথা ব্যয়বহুল হবে। আমরা কাটা ও ছবির জন্য সাজানো দুই টায়ারের কেক বানাই, সাথে একই ফ্লেভারের শিট কেক যা রান্নাঘরে কেটে প্লেটে পরিবেশন করা হয়।
বিয়ের কেক কত আগে বুক করতে হবে?
অন্তত এক সপ্তাহ। বিয়ে যদি নভেম্বর–ফেব্রুয়ারির পিক সিজনে হয়, তাহলে আরও অনেক আগে বুক করুন — আমরা একসাথে সীমিত সংখ্যক বিয়ের অর্ডার নিই।
কমিউনিটি সেন্টার বা ভেন্যুতে ডেলিভারি দেন?
হ্যাঁ, যশোর জেলা জুড়ে। দূরের পথে আমরা ভেন্যুতে গিয়ে টায়ার জোড়া লাগাই। ল্যান্ডমার্কসহ ভেন্যুর ঠিকানা আর ওইদিন ফোন ধরতে পারবেন এমন একজনের নম্বর দিন।
সম্পর্কিত পেজ
আজই আপনার কেক অর্ডার করুন
জন্মদিন, বিয়ে কিংবা যেকোনো বিশেষ দিন — ঝিকরগাছা থেকে তাজা হোমমেড কেক পৌঁছে দিতে আমরা প্রস্তুত।
