সারা ঝিকরগাছায় হোম ডেলিভারি — কমপক্ষে একদিন আগে অর্ডার করুন
চাঁদ থিম কেক – স্কাই ব্লু ক্রিসেন্টNEW

চাঁদ থিম কেক – স্কাই ব্লু ক্রিসেন্ট

চাঁদ থিম কেক যশোর — স্কাই ব্লু ক্রিসেন্ট ডিজাইন, সাদা শেল বর্ডার ও পার্ল সাজানো। ইফতার পার্টি ও ধর্মীয় আয়োজনের জন্য ঝিকরগাছা থেকে হোমমেড কেক, ২৭০৳ থেকে শুরু।

প্রথমে ওজন / সাইজ সিলেক্ট করুন

কেকের তথ্য লেখা মেসেজ তৈরি হয়ে থাকবে — শুধু সেন্ড বোতামে চাপ দিন

প্রোডাক্টের সম্পূর্ণ বিবরণ

চাঁদ থিম কেক যশোর — এই নামটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে সন্ধ্যার আকাশে ঝুলে থাকা এক চিলতে অর্ধচন্দ্র। Made by Roshni-র এই স্কাই ব্লু ক্রিসেন্ট কেকটি ঠিক সেই অনুভূতিটাই টেবিলের উপর নামিয়ে আনে। ঝিকরগাছার আমাদের ছোট্ট হোম বেকারিতে হাতে তৈরি এই কেকটি সাধারণ গোল বা চারকোনা কেকের ছাঁচ ভেঙে বেরিয়ে এসেছে। এখানে পুরো কেকের শরীরটাই একটা চাঁদ — বাঁকানো, নরম, আর আকাশি নীল রঙে মোড়া।

চাঁদ থিম কেক যশোর

ইফতার পার্টি, রমজানের সন্ধ্যা, ঈদের আনন্দ কিংবা কোনো ধর্মীয় সমাবেশ — যেখানেই চাঁদের প্রতীক গুরুত্বপূর্ণ, সেখানেই এই কেকটি নিজের জায়গা করে নেয়। ছবিতে দেখা কেকটিতে চাঁদের ভেতরের কোণে লেখা রয়েছে PSC 2019 Iftar Party — অর্থাৎ এটি একটি প্রতিষ্ঠানের ইফতার আয়োজনের জন্য বানানো হয়েছিল। আপনার আয়োজনের নাম, তারিখ বা শুভেচ্ছা বার্তাও ঠিক একইভাবে বসানো যায়।

চাঁদ থিম কেক যশোর — ডিজাইনে কী কী আছে

এই কেকটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর শেপ। এটি গোল কেকের উপর চাঁদ আঁকা নয় — বরং পুরো কেকটাই কেটে অর্ধচন্দ্র বা ক্রিসেন্ট আকারে গড়া হয়েছে। এক পাশ মোটা, ধীরে ধীরে সরু হয়ে দুই প্রান্তে গিয়ে সূচালো ডগায় মিশেছে। এই বাঁক তৈরি করতে হাতে কাটিং ও শেপিং করতে হয়, তাই এটি সাধারণ কেকের চেয়ে বেশি সময়সাপেক্ষ।

সারা কেকের উপরিভাগ ঢাকা স্কাই ব্লু ক্রিমে। রঙটা গাঢ় নেভি নয়, আবার একদম ফ্যাকাসেও নয় — মাঝামাঝি এক আকাশি টোন, যা দিনের আলোয় নরম আর রাতে আলো পড়লে হালকা চকচক করে। এই নীলের উপর সাদা রঙের কাজগুলো স্পষ্ট ফুটে ওঠে, যা পুরো ডিজাইনটিকে পরিষ্কার ও আভিজাত্যপূর্ণ দেখায়।

সাদা শেল বর্ডার ও পার্লের কাজ

কেকের চারপাশের কিনারা ধরে চলে গেছে সাদা শেল বর্ডার — ছোট ছোট ঝিনুকের মতো পাইপিং, একটার পাশে আরেকটা সাজানো। এই বর্ডারটাই চাঁদের বাঁকা রেখাকে চোখের সামনে আরও স্পষ্ট করে তোলে। হাতে পাইপিং ব্যাগ দিয়ে একটানা এই শেল তুলতে ধৈর্য লাগে, কারণ বাঁকানো লাইনে সমান মাপ ধরে রাখা কঠিন।

কেকের উপরিভাগে ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে ছোট ছোট সাদা পার্ল। এগুলো এলোমেলোভাবে ছড়ানো, যেন রাতের আকাশে চাঁদের গায়ে লেগে থাকা তারা। পুরো কেকটি রাখা হয়েছে একটি পরিষ্কার সাদা বোর্ডের উপর, যা নীল রঙকে আরও উজ্জ্বল দেখায় এবং ছবি তোলার সময় সুন্দর কনট্রাস্ট তৈরি করে। আমাদের শপ পেজে এই ধরনের আরও থিম কেক দেখতে পাবেন।

কোন কোন উপলক্ষে এই কেকটি মানানসই

চাঁদের প্রতীক আমাদের সংস্কৃতিতে বহু অর্থ বহন করে। তাই এই কেকটির ব্যবহারের পরিধিও বেশ বড়। নিচে সবচেয়ে জনপ্রিয় উপলক্ষগুলো তুলে ধরা হলো, যেখানে আমাদের গ্রাহকেরা এই ডিজাইনটি বেছে নেন।

  • ইফতার পার্টি — অফিস, স্কুল, ক্লাব বা বন্ধুদের ইফতার আয়োজনে প্রতিষ্ঠানের নাম ও সাল লিখে দেওয়া যায়, ঠিক ছবির মতো।
  • ঈদের আয়োজন — ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার পারিবারিক জমায়েতে চাঁদের কেক দারুণ মানায়।
  • রমজানের শুরু — প্রথম রোজার সন্ধ্যায় পরিবারের ছোটদের জন্য বিশেষ চমক।
  • ধর্মীয় সমাবেশ ও দোয়া অনুষ্ঠান — শান্ত, মার্জিত ডিজাইন হওয়ায় এমন আয়োজনে বেমানান লাগে না।
  • কর্পোরেট গেট-টুগেদার — প্রতিষ্ঠানের লোগো নয়, তবে নাম ও তারিখ লেখা যায় চাঁদের কোণে।
  • বেবি শাওয়ার বা নামকরণ — নীল রঙ ও চাঁদ-তারার থিম ছেলে শিশুর আয়োজনে বেশ জনপ্রিয়।

অনেকেই জিজ্ঞেস করেন এটা শুধু কি ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জন্য? মোটেও না। রাতের আকাশ, চাঁদ-তারা বা "টু দ্য মুন" থিমের যেকোনো জন্মদিন বা বিদায় অনুষ্ঠানেও এই কেক দারুণ মানায়। রঙ বদলে দিলে পুরো মেজাজটাই পাল্টে যায়।

দাম ও সাইজ — চাঁদ থিম কেক যশোর জুড়ে সাশ্রয়ী

আমরা বিশ্বাস করি ভালো কেক শুধু বড় শহরের বিলাসিতা হওয়া উচিত নয়। ঝিকরগাছা ও যশোরের মানুষের সাধ্যের কথা মাথায় রেখেই আমাদের দাম ঠিক করা। নিচে সব সাইজ ও দাম দেওয়া হলো, সাথে আনুমানিক কতজন খেতে পারবেন সেটাও।

  • ০.৫ পাউন্ড — ২৭০৳ — ২-৪ জনের জন্য, ছোট পারিবারিক আয়োজন বা টেস্ট করে দেখার জন্য আদর্শ।
  • ১ পাউন্ড — ৪৫০৳ — ৫-৭ জন, সবচেয়ে বেশি অর্ডার হওয়া সাইজ।
  • ১.৫ পাউন্ড — ৭০০৳ — ৮-১০ জন, মাঝারি আকারের ইফতার বা পারিবারিক জমায়েত।
  • ২ পাউন্ড — ৯০০৳ — ১১-১৪ জন, অফিস বা ক্লাসের আয়োজনের জন্য।
  • ৩ পাউন্ড — ১৩৫০৳ — ১৬-২০ জন, বড় ইফতার পার্টি বা প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে।

ক্রিসেন্ট শেপের একটি ব্যাপার মনে রাখা দরকার — বাঁকানো আকৃতির কারণে একই ওজনের গোল কেকের তুলনায় এটি টেবিলে একটু বেশি জায়গা নেয় এবং দেখতে বড় লাগে। তাই অতিথির সংখ্যা হিসেব করে সাইজ বাছুন, চোখের আন্দাজে নয়। বেশি সাইজ দরকার হলে আমাদের সাথে কথা বলুন।

কোন সাইজটা আপনার জন্য

ঘরোয়া ইফতারে যেখানে ৬-৭ জন থাকেন, সেখানে ১ পাউন্ডই যথেষ্ট। কিন্তু ইফতারে যেহেতু আরও অনেক আইটেম থাকে, অনেকে ইচ্ছে করে ছোট সাইজ নেন যাতে নষ্ট না হয়। আবার অফিসের ৩০-৪০ জনের আয়োজনে ৩ পাউন্ড নিয়ে ছোট ছোট স্লাইস করলেও চলে যায়। সন্দেহ থাকলে অর্ডারের আগে আমাদের জানান, আমরা পরামর্শ দেব।

স্বাদ ও ফ্লেভারের অপশন

ডিজাইন যত সুন্দরই হোক, কেক শেষ পর্যন্ত খাওয়ার জিনিস। তাই আমরা ভেতরের স্পঞ্জ নিয়ে কোনো আপস করি না। ডিম, ময়দা, চিনি, মাখন — প্রতিটি উপকরণ যাচাই করে কেনা হয় এবং অর্ডার পাওয়ার পরেই বেক করা হয়। আগে থেকে বানিয়ে ফ্রিজে রেখে দেওয়া কেক আমরা কাউকে দিই না।

এই স্কাই ব্লু চাঁদ কেকের ভেতরে ভ্যানিলা স্পঞ্জ সবচেয়ে বেশি চলে, কারণ হালকা রঙের ভেতরটা নীল আউটার লুকের সাথে ভালো মানায়। তবে চকোলেট, স্ট্রবেরি বা ব্ল্যাক ফরেস্ট ফ্লেভারও নেওয়া যায়। ইফতারে অনেকে খুব মিষ্টি চান না — সেক্ষেত্রে চিনি কমিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করলে আমরা সেটাও করে দিই। আরও ফ্লেভারের ধারণা পেতে আমাদের পুরো কালেকশন ঘুরে দেখুন।

অর্ডার করার নিয়ম ধাপে ধাপে

অর্ডার দেওয়াটা আমরা যতটা সম্ভব সহজ রেখেছি। জটিল ফর্ম বা অগ্রিম বড় টাকার ঝামেলা নেই। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করলেই হবে।

  • ধাপ ১ — ওয়েবসাইট থেকে এই কেকটি বেছে সাইজ নির্বাচন করুন।
  • ধাপ ২ — চাঁদের কোণে কী লেখা চান তা লিখে দিন (যেমন প্রতিষ্ঠানের নাম, সাল, বা শুভেচ্ছা বার্তা)।
  • ধাপ ৩ — ডেলিভারির তারিখ, সময় ও ঠিকানা দিন।
  • ধাপ ৪ — ফোন নম্বর দিন, আমরা কল দিয়ে সব নিশ্চিত করব।
  • ধাপ ৫ — কেক হাতে পাওয়ার পর টাকা দিন, অথবা আগেই বিকাশে অগ্রিম দিতে পারেন।

ক্রিসেন্ট শেপের কেক হওয়ায় অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে অর্ডার দেওয়ার অনুরোধ করি। শেপ কাটা, নীল রঙ মেশানো, শেল বর্ডার পাইপিং আর লেখা বসানো — সব মিলিয়ে সময় লাগে। রমজান মাসে চাহিদা অনেক বেড়ে যায়, তাই ওই সময় দুই-তিন দিন আগে বুকিং দিলে সবচেয়ে নিরাপদ।

ঝিকরগাছা ও যশোরে ডেলিভারি

আমাদের বেকারি ঝিকরগাছায়। তাই ঝিকরগাছা বাজার, কপোতাক্ষ পাড়, বাঁকড়া, নাভারন সহ আশপাশের এলাকায় সবচেয়ে দ্রুত ডেলিভারি পৌঁছে দিতে পারি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ের কিছুটা আগেই কেক পৌঁছে যায়, যাতে আপনি সাজিয়ে রাখার সময় পান।

যশোর শহরেও আমরা ডেলিভারি দিই — মনিহার, চাঁচড়া, পালবাড়ি, ঘোপ, রেলগেট সহ প্রধান এলাকাগুলোতে। দূরত্ব অনুযায়ী ডেলিভারি চার্জ আলাদা হয়, যা অর্ডার কনফার্ম করার সময় জানিয়ে দেওয়া হয়। ইফতারের সময় ট্রাফিক বেশি থাকে বলে আমরা সবসময় মাগরিবের বেশ আগেই পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করি।

ইফতারের সময় ডেলিভারি নিয়ে বিশেষ পরামর্শ

রমজানে ইফতারের ঠিক আগে রাস্তায় প্রচণ্ড ভিড় হয়। তাই ইফতার পার্টির কেক আমরা সাধারণত আসরের নামাজের পরপরই পাঠিয়ে দিই। আপনি চাইলে দুপুরেও নিতে পারেন — ঠান্ডা জায়গায় রাখলে কোনো সমস্যা হয় না। ডেলিভারি সময় নিয়ে আগেভাগে আলোচনা করে নিলে দুই পক্ষেরই সুবিধা।

কেকের যত্ন ও সংরক্ষণ

হাতে বানানো কেকে কোনো কৃত্রিম প্রিজারভেটিভ থাকে না। তাই সঠিকভাবে না রাখলে স্বাদ ও চেহারা দুটোই নষ্ট হতে পারে। নিচের কয়েকটা কথা মনে রাখলেই কেক ভালো থাকবে।

  • কেক হাতে পাওয়ার পর সরাসরি রোদ বা গরম চুলার কাছে রাখবেন না — নীল ক্রিম গলে ছড়িয়ে যেতে পারে।
  • খাওয়ার আগে পর্যন্ত ফ্রিজের নরমাল চেম্বারে রাখুন, ডিপ ফ্রিজে নয়।
  • পরিবেশনের ২০-৩০ মিনিট আগে ফ্রিজ থেকে বের করুন, তাতে স্পঞ্জ নরম হয়ে আসল স্বাদ ফিরে পায়।
  • বোর্ড সহ কেক ধরুন, সরাসরি কেকের গায়ে হাত দেবেন না — শেল বর্ডার নষ্ট হয়ে যাবে।
  • ক্রিসেন্ট শেপ কাটার সময় বাঁকা রেখা বরাবর না কেটে, চওড়া অংশ থেকে সরু দিকে লম্বালম্বি স্লাইস করুন।
  • বেঁচে যাওয়া অংশ ঢাকনা দেওয়া পাত্রে ফ্রিজে রাখলে পরদিনও খাওয়া যায়।

একটা গরম ছুরি ব্যবহার করলে ক্রিম লেগে যায় না। ছুরিটা গরম পানিতে ডুবিয়ে মুছে নিয়ে কাটলে প্রতিটি স্লাইস পরিষ্কার আর সুন্দর দেখায়। ইফতার পার্টিতে যখন অনেক মানুষ ছবি তোলেন, তখন এই ছোট্ট কৌশলটা বেশ কাজে দেয়।

চাঁদ থিম কেক যশোর — কেন Made by Roshni বেছে নেবেন

যশোরে অনেক দোকানেই কেক পাওয়া যায়। কিন্তু ক্রিসেন্ট শেপের কাস্টম কেক, যেখানে আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম ও সাল লেখা থাকবে — এমন কাজ সবাই করে না। আমরা প্রতিটি অর্ডার আলাদা করে হাতে বানাই, কারখানার মতো একসাথে দশটা বানিয়ে রাখি না।

আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো যোগাযোগ। অর্ডার নেওয়ার পর কেক তৈরির অগ্রগতি আপনাকে জানানো হয়। কোনো রঙ বা লেখা নিয়ে সন্দেহ থাকলে আমরা আগেই জিজ্ঞেস করে নিই। ফলে ডেলিভারির সময় কোনো অপ্রত্যাশিত চমক থাকে না — যেটা চেয়েছিলেন, সেটাই পান।

প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

চাঁদের কোণের লেখাটা কি বদলানো যাবে?

অবশ্যই। ছবিতে "PSC 2019 Iftar Party" লেখা আছে কারণ ওটা একটি নির্দিষ্ট অর্ডার ছিল। আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম, সাল, বা যেকোনো ছোট শুভেচ্ছা বার্তা আমরা একই জায়গায় লিখে দিতে পারি। খুব লম্বা বাক্য হলে জায়গা কম পড়তে পারে, তাই ছোট রাখাই ভালো।

নীল রঙের বদলে অন্য রঙ পাওয়া যাবে?

হ্যাঁ। স্কাই ব্লু আমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় হলেও গাঢ় নেভি, সবুজ, সোনালি বা সাদা রঙেও ক্রিসেন্ট শেপ বানানো যায়। রঙ বদলালেও সাদা শেল বর্ডার আর পার্লের কাজ একই থাকে, দাম নিয়েও পরিবর্তন হয় না।

কত আগে অর্ডার দিতে হবে?

সাধারণ সময়ে ২৪ ঘণ্টা আগে দিলেই হয়। তবে রমজান মাসে ইফতার পার্টির চাহিদা প্রচুর বাড়ে, তখন অন্তত ২-৩ দিন আগে বুকিং দেওয়ার পরামর্শ দিই। বড় সাইজ বা একাধিক কেকের ক্ষেত্রে আরও আগে জানালে ভালো।

যশোর শহরে ডেলিভারি চার্জ কত?

ঝিকরগাছার ভেতরে চার্জ খুবই কম বা কিছু ক্ষেত্রে ফ্রি। যশোর শহরে দূরত্ব অনুযায়ী চার্জ নির্ধারিত হয়। অর্ডার কনফার্ম করার সময় আপনার ঠিকানা শুনে আমরা সঠিক অঙ্কটা জানিয়ে দিই — পরে কোনো লুকানো খরচ যোগ হয় না।

ইফতারের জন্য কম মিষ্টি করা যাবে?

হ্যাঁ, অনেক গ্রাহকই এটা চান। অর্ডারের সময় বলে দিলে আমরা স্পঞ্জ ও ক্রিম দুটোতেই চিনির পরিমাণ কমিয়ে দিই। রোজা রাখার পর অতিরিক্ত মিষ্টি অনেকের ভালো লাগে না, তাই এই অনুরোধটা আমরা খুব স্বাভাবিকভাবেই রাখি।

ডিম ছাড়া বা এগলেস ভার্সন হয়?

আগে থেকে জানালে এগলেস স্পঞ্জে এই ডিজাইনটি বানিয়ে দেওয়া সম্ভব। তবে এগলেস কেকের টেক্সচার একটু আলাদা হয় এবং প্রস্তুতিতে বাড়তি সময় লাগে, তাই অন্তত দুই দিন আগে অর্ডার দিতে হবে।

শেষ কথা

একটা ইফতার পার্টি বা ঈদের আয়োজন শেষে মানুষের মনে যা থেকে যায়, তা হলো কিছু ছবি আর কিছু মুহূর্ত। টেবিলের মাঝখানে রাখা একটি স্কাই ব্লু চাঁদ সেই ছবিগুলোকে আলাদা করে তোলে। সাধারণ গোল কেক দেখতে দেখতে সবাই অভ্যস্ত, কিন্তু বাঁকা চাঁদের কেক দেখে মানুষ থমকে দাঁড়ায়।

আপনি যদি ঝিকরগাছা বা যশোরে এমন একটি কেক খুঁজছেন যা দেখতে যেমন আলাদা, খেতেও তেমন ভালো — তাহলে এই চাঁদ থিম কেক যশোর অঞ্চলের জন্য আমাদের অন্যতম সেরা পছন্দ। আজই সাইজ বেছে অর্ডার করুন, আর বাকিটা আমাদের হাতে ছেড়ে দিন। Made by Roshni-তে প্রতিটি কেক ঠিক ততটাই যত্নে বানানো হয়, যতটা আমরা নিজেদের পরিবারের জন্য বানাতাম।

প্রথমে ওজন / সাইজ সিলেক্ট করুন

রিভিউ ()

রিভিউ

এখনও কোনো রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউটি আপনিই দিন!

চাঁদ থিম কেক – স্কাই ব্লু ক্রিসেন্ট — যশোরের যেসব এলাকায় ডেলিভারি করি

এই কেকটি যশোর শহর ও আশপাশের এলাকায় হোম ডেলিভারি করা হয়। আপনার এলাকা বেছে নিন:

সম্পর্কিত কেক