সারা ঝিকরগাছায় হোম ডেলিভারি — কমপক্ষে একদিন আগে অর্ডার করুন
পাউন্ড কেক – কোরাল ফ্লাওয়ার রমাদান মোবারক

পাউন্ড কেক – কোরাল ফ্লাওয়ার রমাদান মোবারক

রমাদান কেক যশোর — কোরাল ফুল ও সবুজ পাতার রিং দেওয়া হালকা পিংক পাউন্ড কেক, চকলেট অক্ষরে Ramadan Mubarak লেখা। ঝিকরগাছা থেকে হোমমেড, ২৭০৳ থেকে শুরু।

প্রথমে ওজন / সাইজ সিলেক্ট করুন

কেকের তথ্য লেখা মেসেজ তৈরি হয়ে থাকবে — শুধু সেন্ড বোতামে চাপ দিন

প্রোডাক্টের সম্পূর্ণ বিবরণ

রমাদান কেক যশোর খুঁজতে গিয়ে যদি আপনার মনে হয়ে থাকে যে পবিত্র মাসটির জন্য একটু আলাদা, একটু মায়াভরা কিছু দরকার — তাহলে এই পাউন্ড কেক – কোরাল ফ্লাওয়ার রমাদান মোবারক আপনার জন্যই বানানো। রমাদান মানে শুধু রোজা নয়; রমাদান মানে সারাদিন পর একসাথে বসা, ইফতারের টেবিলে হাসিমুখ, তারাবির পর ঠান্ডা বাতাসে গল্প। সেই মুহূর্তগুলোতে টেবিলের মাঝখানে যদি একটা ছোট, নরম, হাতে সাজানো কেক থাকে — সেটা খাবার থেকে বেশি হয়ে যায় একটা স্মৃতি।

রমাদান কেক যশোর

Made by Roshni-তে আমরা যশোরের ঝিকরগাছা থেকে প্রতিটি কেক হাতে বানাই, অর্ডার পাওয়ার পর বানাই। কোনো ফ্রিজে জমানো স্টক থেকে কেটে পাঠানো নয়। তাই আপনার হাতে যখন এই কোরাল ফ্লাওয়ার কেকটি পৌঁছাবে, তখন সেটা কয়েক ঘণ্টা আগে ওভেন থেকে বেরোনো — ঘ্রাণটাই আপনাকে বলে দেবে।

রমাদান কেক যশোর — কেন এই কোরাল ফ্লাওয়ার ডিজাইনটাই বেছে নেবেন

রমাদানের কেকে সাধারণত সবাই একই ছাঁচে হাঁটে — চাঁদ, তারা, সোনালি রঙ। আমরা ইচ্ছে করেই একটু সরে এসেছি। এই কেকের আবেদন কোমলতায়, ঝলমলে চাকচিক্যে নয়। রোজার মাসের যে শান্ত, নরম, ভেতরমুখী একটা ভাব থাকে — এই কেকের রঙ আর সাজ ঠিক সেটাই ধরতে চেয়েছে।

হালকা পিংক বেস, তার ওপর একটি বড় কোরাল-লাল ফুল, আর চারপাশে সবুজ পাতার একটা রিং — পুরো ব্যাপারটা দেখলে মনে হয় ছোট্ট একটা বাগান, যা রোজাদারের অপেক্ষার শেষে ফুটে উঠেছে। এই কারণেই যারা একটু রুচিশীল, একটু আলাদা কিছু চান, তাঁরা এই ডিজাইনটাই বারবার বেছে নেন।

কেকটি দেখতে ঠিক কেমন — ডিজাইনের বিস্তারিত

এটি একটি ছোট গোল আকারের পাউন্ড কেক, যার পুরো গায়ে হালকা পিংক রঙের মসৃণ ক্রিমের আবরণ। ওপরের দিকে সবচেয়ে চোখে পড়ে কোরাল-লাল রঙের একটি পাঁচ পাপড়ির ফুল — হাতে পাইপ করা, পাপড়িগুলো আলাদা আলাদা করে বসানো, তাই কাছ থেকে দেখলে সত্যিকারের ফুলের মতো ভাঁজ বোঝা যায়।

ফুলটির পাশ ঘিরে লাইম গ্রিন রঙের সোয়ার্ল বা ঘূর্ণি নকশা টানা হয়েছে, আর তার সঙ্গে সবুজ পাতার একটি রিং কেকের ওপরের কিনারা বরাবর ঘুরে গেছে। সবুজের এই দুই শেড — উজ্জ্বল লাইম আর গাঢ় পাতা — পিংক বেসের ওপর দারুণ কনট্রাস্ট তৈরি করে, ফলে ছবি তুললে কেকটি ঝাপসা দেখায় না।

সাজের ফাঁকে ফাঁকে বসানো হয়েছে সাদা পার্ল বা মুক্তোদানা, যেগুলো আলো পড়লে হালকা চিকচিক করে। আর কেকের ঠিক মাঝখানে, চকলেট দিয়ে হাতে লেখা রয়েছে Ramadan Mubarak — এই লেখাটিই পুরো ডিজাইনের প্রাণ। গাঢ় চকলেট রঙ পিংক বেসের ওপর স্পষ্ট ফুটে ওঠে, দূর থেকেও পড়া যায়।

এখানে একটা কথা পরিষ্কার করে বলে রাখি — যা ছবিতে আছে আমরা ঠিক তাই বানাই। বাড়তি চাঁদ-তারা, সোনালি ফয়েল বা বাড়তি ফুল আমরা ছবিতে দেখাই না আর অর্ডারেও যোগ করি না, যদি না আপনি আলাদা করে বলেন। হাতে বানানো বলে ফুলের ভাঁজ বা পাতার অবস্থান সামান্য এদিক-ওদিক হতে পারে, কিন্তু সামগ্রিক চেহারা একই থাকে।

ভেতরের স্বাদ ও পাউন্ড কেকের গঠন

পাউন্ড কেক নামটাই এসেছে এর পুরোনো রেসিপি থেকে — যেখানে প্রতিটি উপকরণ সমান ওজনে নেওয়া হতো। এর ফলে যে কেকটা তৈরি হয় সেটা স্পঞ্জ কেকের মতো ফাঁপা নয়, বরং ঘন, মাখনসমৃদ্ধ ও নরম। এক টুকরো মুখে দিলে ধীরে ধীরে গলে যায়, গলা শুকিয়ে যায় না।

রমাদানের জন্য এই গঠনটাই সবচেয়ে উপযুক্ত। সারাদিন রোজা রাখার পর খুব হালকা এয়ারি কেক পেটে তেমন তৃপ্তি দেয় না, আবার অতিরিক্ত ভারী মিষ্টি খাবার অস্বস্তি তৈরি করে। পাউন্ড কেক ঠিক মাঝামাঝি — এক টুকরোতেই তৃপ্তি আসে, অথচ ভারী লাগে না।

আমাদের মিষ্টির মাত্রা ইচ্ছাকৃতভাবে মাঝারি রাখা হয়। ইফতারে যেহেতু খেজুর, শরবত, ফল — সব মিলিয়ে এমনিতেই মিষ্টি পড়ে যায়, তাই কেক অতিরিক্ত মিষ্টি হলে পুরো টেবিলের ভারসাম্য নষ্ট হয়। আপনি চাইলে অর্ডারের সময় মিষ্টি আরও কম বা একটু বেশি চেয়ে নিতে পারেন।

রমাদান কেক যশোর — কোন কোন উপলক্ষে এই কেকটি মানানসই

এই কেকটি শুধু একটি নির্দিষ্ট দিনের জন্য নয়। রমাদানের পুরো মাসজুড়ে বিভিন্ন উপলক্ষে এটি ব্যবহার করা যায়, এবং প্রতিবারই আলাদা অর্থ বহন করে।

  • রমাদানের প্রথম দিন: পরিবারের সবাইকে চমকে দিতে মাসের শুরুতেই একটি ছোট কেক — বাচ্চাদের কাছে রোজার মাসটাকে আনন্দের করে তোলে।
  • পারিবারিক ইফতার আয়োজন: আত্মীয়স্বজন নিয়ে বড় ইফতারের দিন টেবিলের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে।
  • অফিস বা প্রতিষ্ঠানের ইফতার পার্টি: সহকর্মীদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার জন্য ২ বা ৩ পাউন্ডের সাইজ।
  • প্রতিবেশী ও আত্মীয়কে উপহার: ইফতার পাঠানোর সংস্কৃতির সঙ্গে একটি কেক যোগ করলে উপহারটি স্মরণীয় হয়ে যায়।
  • শবে কদরের রাত: ইবাদতের রাতে পরিবারের ছোটদের উৎসাহ দিতে একটি মিষ্টি আয়োজন।
  • রমাদানে জন্মদিন পড়লে: জন্মদিনের কেকেও রমাদানের ছোঁয়া রাখতে চাইলে এটি চমৎকার সমাধান।
  • প্রবাসী পরিবারের জন্য: দেশের বাইরে থাকা সন্তান যশোরে পরিবারের কাছে সারপ্রাইজ পাঠাতে চাইলে।

বিশেষ করে প্রবাসীদের অর্ডার আমরা প্রচুর পাই। বিদেশ থেকে ফোন করে বাবা-মায়ের ঠিকানা দিয়ে দেন, আমরা নির্দিষ্ট দিনে পৌঁছে দিই। ইফতারের সময় দরজায় কেক পৌঁছালে যে মুহূর্তটা তৈরি হয়, সেটার দাম টাকায় মাপা যায় না। আরও ডিজাইন দেখতে আমাদের শপ পেজ ঘুরে আসুন।

দাম ও সাইজ — কত জনের জন্য কোনটা নেবেন

রমাদানে অতিথির সংখ্যা আগে থেকে আন্দাজ করা কঠিন, তাই সাইজ বাছাই নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় পড়েন। নিচের তালিকা দেখে সহজেই ঠিক করতে পারবেন কোনটা আপনার আয়োজনের সঙ্গে যায়। প্রতিটি দাম আমাদের নির্ধারিত, কোনো লুকানো চার্জ নেই।

  • ০.৫ পাউন্ড — ২৭০৳ — ২-৪ জনের জন্য। ছোট পরিবার বা দুজনের নিজস্ব ইফতারের জন্য যথেষ্ট।
  • ১ পাউন্ড — ৪৫০৳ — ৫-৭ জনের জন্য। সবচেয়ে বেশি অর্ডার হওয়া সাইজ, সাধারণ পারিবারিক আয়োজনের জন্য আদর্শ।
  • ১.৫ পাউন্ড — ৭০০৳ — ৮-১০ জনের জন্য। কাছের আত্মীয়দের নিয়ে ইফতার হলে এটি নিরাপদ পছন্দ।
  • ২ পাউন্ড — ৯০০৳ — ১১-১৪ জনের জন্য। বড় পরিবার বা ছোট অফিস ইফতারে মানানসই।
  • ৩ পাউন্ড — ১৩৫০৳ — ১৬-২০ জনের জন্য। বড় দাওয়াত বা প্রতিষ্ঠানের আয়োজনের জন্য।

একটা ছোট পরামর্শ — রমাদানে অতিথি সাধারণত আন্দাজের চেয়ে বেশি হয়। কেউ কেউ নামাজের পর চলে আসেন, প্রতিবেশী উঁকি দেন। তাই যদি দুই সাইজের মাঝখানে দ্বিধায় থাকেন, বড়টাই নিন। কেক বেঁচে গেলে সমস্যা নেই, কিন্তু অতিথির সামনে ফুরিয়ে গেলে অস্বস্তি লাগে।

ঝিকরগাছা ও যশোরে ডেলিভারি ব্যবস্থা

আমাদের রান্নাঘর ঝিকরগাছায়। তাই ঝিকরগাছা পৌরসভা ও আশপাশের এলাকায় ডেলিভারি সবচেয়ে দ্রুত ও সহজ। যশোর সদর, নাভারণ, শার্শা, চৌগাছা, বাগআঁচড়া, মণিরামপুর সহ আশপাশের এলাকাতেও আমরা কেক পৌঁছে দিই।

ডেলিভারি চার্জ দূরত্ব অনুযায়ী নির্ধারিত হয় এবং অর্ডার নিশ্চিত করার সময় আমরা আপনাকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিই। আপনি চাইলে নিজে এসে কেক সংগ্রহ করতে পারেন — সেক্ষেত্রে কোনো ডেলিভারি চার্জ লাগে না, আর কেকটি একদম হাতে-হাতে পাওয়ায় কোনো ঝাঁকুনির ঝুঁকিও থাকে না।

রমাদানে ডেলিভারির সময় নিয়ে আমরা বিশেষ সতর্ক থাকি। ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে রাস্তায় প্রচণ্ড ভিড় হয়, তাই আমরা সাধারণত ইফতারের অন্তত ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা আগে কেক পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করি। এতে আপনার হাতে কেক সাজানোর সময়ও থাকে।

রমাদান কেক যশোর অর্ডার করার সহজ প্রক্রিয়া

অর্ডার দেওয়া জটিল কিছু নয়। আমাদের ওয়েবসাইটের শপ থেকে পছন্দের কেক বেছে নিন, সাইজ নির্বাচন করুন, ডেলিভারির তারিখ ও ঠিকানা দিন — ব্যস। এরপর আমরা ফোনে যোগাযোগ করে সবকিছু নিশ্চিত করি।

চাইলে সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপ বা ফোনেও অর্ডার দিতে পারেন। অনেক গ্রাহক, বিশেষ করে বয়স্করা, ফোনে কথা বলে অর্ডার দিতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন — আমাদের কোনো আপত্তি নেই।

রমাদানে অর্ডারের চাপ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি থাকে। তাই অন্তত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা আগে অর্ডার দেওয়ার অনুরোধ করি। বড় সাইজ বা কাস্টম লেখা চাইলে ২-৩ দিন আগে জানালে সবচেয়ে ভালো হয়।

কেকের যত্ন ও সংরক্ষণ

হোমমেড কেকে কোনো কৃত্রিম প্রিজারভেটিভ থাকে না। এটাই এর সবচেয়ে বড় গুণ, আবার এ কারণেই একটু যত্ন দরকার। সঠিকভাবে রাখলে কেকের স্বাদ ও সাজ দুটোই ভালো থাকে।

  • কেক হাতে পাওয়ার পর সরাসরি রোদ বা গরম জায়গা থেকে দূরে রাখুন — ক্রিম নরম হয়ে ফুলের ভাঁজ নষ্ট হতে পারে।
  • একই দিনে খাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে ঠান্ডা, ছায়াযুক্ত জায়গায় রাখলেই যথেষ্ট।
  • পরদিন খেতে চাইলে বক্সসহ ফ্রিজের নরমাল চেম্বারে রাখুন, ডিপ ফ্রিজে নয়।
  • ফ্রিজ থেকে বের করে অন্তত ২০-৩০ মিনিট বাইরে রেখে তারপর কাটুন — এতে কেক আবার নরম হয়ে আসে।
  • কাটার জন্য ছুরি গরম পানিতে ডুবিয়ে মুছে নিলে টুকরোগুলো পরিষ্কার হয়, ক্রিম লেপ্টে যায় না।
  • কেকের বক্স ফ্রিজে রাখার সময় ওপরে ভারী কিছু রাখবেন না।

সাধারণভাবে এই কেক ২ থেকে ৩ দিন পর্যন্ত ভালো থাকে, তবে প্রথম দিনেই স্বাদ ও ঘ্রাণ সবচেয়ে ভালো পাওয়া যায়। রমাদানে আমরা পরামর্শ দিই — যেদিন আয়োজন, সেদিনই ডেলিভারি নিন।

কাস্টমাইজেশনের সুযোগ

ছবির ডিজাইনই আমাদের স্ট্যান্ডার্ড, তবে ছোটখাটো পরিবর্তন করা যায়। মাঝখানের চকলেট লেখাটি "Ramadan Mubarak"-এর বদলে "রমাদান মোবারক" বাংলায়, বা কারো নাম দিয়েও লেখা সম্ভব।

বেস রঙ হালকা পিংকের বদলে অন্য কোনো নরম শেড চাইলে আগে থেকে জানাতে হবে। ফুলের রঙ বা পাতার বিন্যাসেও সামান্য পরিবর্তন করা যায়। তবে মনে রাখবেন — কাস্টম কাজে বাড়তি সময় লাগে, তাই অন্তত ৩ দিন আগে অর্ডার দিন।

কেন Made by Roshni বেছে নেবেন

যশোর ও ঝিকরগাছায় কেক বানানোর জায়গার অভাব নেই। তবু মানুষ আমাদের কাছে ফিরে আসেন কয়েকটি সহজ কারণে, যেগুলো আমরা প্রতিদিন ধরে রাখার চেষ্টা করি।

প্রথমত, আমরা অর্ডার পাওয়ার পর কেক বানাই — স্টক থেকে নয়। দ্বিতীয়ত, উপকরণে আপস করি না; মাখন, ডিম, ময়দা — সবই তাজা ও ভালো মানের। তৃতীয়ত, দাম নিয়ে আমরা সম্পূর্ণ স্বচ্ছ। ওয়েবসাইটে যে দাম দেখছেন, সেটাই চূড়ান্ত।

চতুর্থত, ছবিতে যা দেখানো হয় বাস্তবে সেটাই পাঠানো হয়। অনলাইনে কেক অর্ডার করে হতাশ হওয়ার অভিজ্ঞতা অনেকেরই আছে — আমরা সেই অভিজ্ঞতাটা দিতে চাই না। এবং সবশেষে, আমরা স্থানীয়। কোনো সমস্যা হলে আপনি সরাসরি আমাদের নাগাল পাবেন।

প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

রমাদান কেক যশোর শহরে ডেলিভারি করতে কত সময় লাগে?

ঝিকরগাছা থেকে যশোর শহরে সাধারণত ৪৫ মিনিট থেকে দেড় ঘণ্টার মধ্যে ডেলিভারি সম্পন্ন হয়, রাস্তার অবস্থার ওপর নির্ভর করে। ইফতারের ঠিক আগে ভিড় থাকে বলে আমরা নির্ধারিত সময়ের আগেই বের হই, যাতে কেক সময়মতো পৌঁছায়।

কতদিন আগে অর্ডার দিতে হবে?

স্বাভাবিক সময়ে ২৪ ঘণ্টা আগে অর্ডার দিলেই হয়। কিন্তু রমাদানে চাপ বেশি থাকায় ৪৮ ঘণ্টা আগে অর্ডার দেওয়াই নিরাপদ। কাস্টম লেখা বা ৩ পাউন্ডের বড় সাইজ চাইলে ৩ দিন আগে জানাবেন।

কেকের ওপরের লেখা বদলানো যাবে?

হ্যাঁ, চকলেট দিয়ে লেখা "Ramadan Mubarak" অংশটি আপনার পছন্দমতো বদলানো যায় — বাংলায় লেখা, কারো নাম, বা ছোট শুভেচ্ছাবার্তা। অর্ডারের সময় স্পষ্ট করে লিখে দিলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

ডেলিভারি চার্জ কত?

ডেলিভারি চার্জ দূরত্ব অনুযায়ী আলাদা হয়। ঝিকরগাছার ভেতরে চার্জ সবচেয়ে কম, যশোর সদর বা দূরের থানায় একটু বেশি। অর্ডার নিশ্চিত করার আগেই আমরা সঠিক চার্জ জানিয়ে দিই, পরে কোনো বাড়তি টাকা চাওয়া হয় না। নিজে এসে নিলে চার্জ লাগে না।

কেকটি কি খুব বেশি মিষ্টি?

না, আমরা মিষ্টির মাত্রা ইচ্ছাকৃতভাবে মাঝারি রাখি, বিশেষ করে রমাদানের কেকে। ইফতারে এমনিতেই খেজুর ও শরবত থাকে, তাই কেক অতিরিক্ত মিষ্টি হলে ভালো লাগে না। চাইলে অর্ডারের সময় মিষ্টি কম বা বেশি চেয়ে নিতে পারেন।

ছবির কেক আর আসল কেক কি হুবহু এক হয়?

সাজ, রঙ ও উপাদান সবই ছবির মতোই থাকে — হালকা পিংক বেস, কোরাল ফুল, লাইম গ্রিন সোয়ার্ল, সবুজ পাতার রিং, সাদা পার্ল ও চকলেটের লেখা। যেহেতু সম্পূর্ণ হাতে বানানো, ফুলের ভাঁজ বা পাতার অবস্থান সামান্য ভিন্ন হতে পারে, তবে সামগ্রিক চেহারায় পার্থক্য বোঝা যায় না।

শেষ কথা

রমাদান বছরে একবারই আসে। এই মাসের প্রতিটি সন্ধ্যা, প্রতিটি ইফতার, প্রতিটি একসাথে বসা মুহূর্ত পরিবারের স্মৃতিতে জমা হয়ে থাকে। একটা ছোট কেক সেই স্মৃতিটাকে আরও একটু উজ্জ্বল করে দিতে পারে।

কোরাল ফুল, সবুজ পাতা আর চকলেট অক্ষরে লেখা Ramadan Mubarak — এই কেকটি সেই উজ্জ্বলতার একটা ছোট অংশ হতে চায়। আপনি যদি রমাদান কেক যশোর এলাকায় খুঁজে থাকেন এবং এমন কিছু চান যা সাধারণের চেয়ে আলাদা, তাহলে এটাই আপনার কেক।

আজই সাইজ বেছে নিন, তারিখ ঠিক করুন, আর বাকিটা আমাদের ওপর ছেড়ে দিন। ২৭০৳ থেকে শুরু করে ১৩৫০৳ পর্যন্ত — যেকোনো আয়োজনের জন্য একটা সাইজ আছেই। রমাদান মোবারক।

প্রথমে ওজন / সাইজ সিলেক্ট করুন

রিভিউ ()

রিভিউ

এখনও কোনো রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউটি আপনিই দিন!

পাউন্ড কেক – কোরাল ফ্লাওয়ার রমাদান মোবারক — যশোরের যেসব এলাকায় ডেলিভারি করি

এই কেকটি যশোর শহর ও আশপাশের এলাকায় হোম ডেলিভারি করা হয়। আপনার এলাকা বেছে নিন:

সম্পর্কিত কেক