সারা ঝিকরগাছায় হোম ডেলিভারি — কমপক্ষে একদিন আগে অর্ডার করুন
ভ্যানিলা স্পঞ্জ কেক – ব্লু বাটারফ্লাই কাটআউট

ভ্যানিলা স্পঞ্জ কেক – ব্লু বাটারফ্লাই কাটআউট

বাটারফ্লাই কেকের দাম ৩২০৳ থেকে শুরু — নীল বাটারফ্লাই কাটআউট ও পার্ল সাজানো ভ্যানিলা স্পঞ্জ কেক, ঝিকরগাছা ও যশোরে হোম ডেলিভারি।

প্রথমে ওজন / সাইজ সিলেক্ট করুন

কেকের তথ্য লেখা মেসেজ তৈরি হয়ে থাকবে — শুধু সেন্ড বোতামে চাপ দিন

প্রোডাক্টের সম্পূর্ণ বিবরণ

বাটারফ্লাই কেকের দাম নিয়ে যাঁরা ঝিকরগাছা কিংবা যশোরে খোঁজ করছেন, তাঁদের জন্য Made by Roshni নিয়ে এসেছে এই ভ্যানিলা স্পঞ্জ কেক – ব্লু বাটারফ্লাই কাটআউট। নরম, হালকা আর তুলতুলে ভ্যানিলা স্পঞ্জের উপর আকাশি-নীল বাটারক্রিমের ঘূর্ণি, তার চারপাশে ছড়িয়ে থাকা গাঢ় নীল প্রজাপতির কাটআউট আর ছোট ছোট সাদা পার্ল — সব মিলিয়ে কেকটা দেখলেই মনে হয় যেন একটা ছোট্ট প্রজাপতির বাগান টেবিলের উপর নেমে এসেছে। জন্মদিন, বেবি শাওয়ার, স্কুলের ফেয়ারওয়েল কিংবা ছোট্ট কোনো পারিবারিক আনন্দ — যেকোনো উপলক্ষে এই কেক পুরো ঘরের আবহ বদলে দিতে পারে।

বাটারফ্লাই কেকের দাম

আমরা ঘরেই, ছোট ব্যাচে এই কেক বানাই। কোনো কারখানার লাইনে নয়, কোনো আগে থেকে বানিয়ে রাখা স্টক থেকে নয়। আপনি অর্ডার করার পরে ব্যাটার মাখানো হয়, ওভেনে যায়, ঠান্ডা হয়, তারপর হাতে হাতে ক্রিম লাগানো হয় আর একটা একটা করে প্রজাপতি বসানো হয়। এই কারণেই প্রতিটা কেক একটু একটু আলাদা হয় — আর সেটাই তো হোমমেড কেকের আসল সৌন্দর্য।

ছবিতে যেমন দেখছেন — এই কেকের ডিজাইন

কেকটির উপরের অংশ পুরোটাই আকাশি-নীল বাটারক্রিমে ঢাকা, আর সেই ক্রিমে একটা মসৃণ ঘূর্ণি বা সোয়ার্ল প্যাটার্ন করা হয়েছে যেটা মাঝখান থেকে বাইরের দিকে ছড়িয়ে গেছে। ক্রিমের গায়ে হালকা চকচকে ভাব আছে, তাই আলো পড়লে নীলটা আরও উজ্জ্বল দেখায়। সাইডের দিকটাও একই নীল রঙে ঢাকা, উপরের চেয়ে একটু গাঢ়, আর সেখানে সরু সরু উল্লম্ব রেখার টেক্সচার তোলা হয়েছে।

সবচেয়ে চোখে পড়ে ছয়টি বড় প্রজাপতির কাটআউট। প্রত্যেকটির ডানা গাঢ় নীল, ভেতরে হালকা নীলের শিরা আঁকা, আর পুরো ডানার কিনারা ঘিরে সোনালি-ব্রোঞ্জ রঙের বর্ডার। প্রজাপতিগুলো সমতলভাবে শুয়ে নেই — কয়েকটা কেকের উপরের কিনারায় ডানা মেলে দাঁড়িয়ে আছে, দুটো সামনের দিকে সাইডের গায়ে হেলান দিয়ে আছে। ফলে দূর থেকে দেখলে মনে হয় প্রজাপতিগুলো সত্যিই কেকের উপর এসে বসেছে।

নীল ক্রিমের ফাঁকে ফাঁকে ছড়ানো আছে ছোট ছোট সাদা মুক্তোর মতো পার্ল বল। কোথাও একটা-দুটো, কোথাও তিন-চারটে একসাথে জড়ো হয়ে ছোট গুচ্ছ তৈরি করেছে — অনেকটা জলের ফোঁটা বা তারার মতো লাগে। আর মাঝখানে গাঢ় চকলেট রঙের ক্রিম দিয়ে হাতে লেখা শুভেচ্ছাবার্তা। ওই জায়গায় আপনার পছন্দের নাম বা বার্তা লিখে দেওয়া যায় — অর্ডারের সময় শুধু লিখে দিলেই হবে। কেকটি বসানো থাকে একটি শক্ত সাদা কেক বোর্ডের উপর, যাতে হাতে ধরে বহন করতে বা টেবিলে সাজাতে কোনো সমস্যা না হয়।

বাটারফ্লাই কেকের দাম ও সাইজ তালিকা

দাম নিয়ে আমরা কোনো লুকোছাপা রাখি না। নিচের তালিকায় প্রতিটি ওজনের দাম আর আনুমানিক কতজন খেতে পারবেন তা দেওয়া আছে। অতিথির সংখ্যা অনুযায়ী সাইজ বেছে নিন — সাধারণত ছোট পারিবারিক আয়োজনে ১ পাউন্ড, আর একটু বড় জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ২ থেকে ৩ পাউন্ড ভালো চলে।

  • ০.৫ পাউন্ড — ৩২০৳ — ২-৪ জনের জন্য যথেষ্ট, ছোট পরিবারের ঘরোয়া উদযাপনে আদর্শ
  • ১ পাউন্ড — ৫০০৳ — ৫-৭ জনের জন্য, সবচেয়ে বেশি অর্ডার হওয়া সাইজ
  • ১.৫ পাউন্ড — ৭৫০৳ — ৮-১০ জনের জন্য, আত্মীয়স্বজন মিলিয়ে মাঝারি আয়োজনে
  • ২ পাউন্ড — ৯৫০৳ — ১১-১৪ জনের জন্য, বন্ধুবান্ধব ও প্রতিবেশীদের নিয়ে বড় জন্মদিনে
  • ৩ পাউন্ড — ১৪০০৳ — ১৬-২০ জনের জন্য, স্কুল-কলেজের অনুষ্ঠান বা বড় পারিবারিক জমায়েতে

খেয়াল করলে দেখবেন, ওজন যত বাড়ে প্রতি পাউন্ডের খরচ তত কমে আসে। যেমন আধা পাউন্ডে যেখানে প্রতি পাউন্ড হিসেবে খরচ বেশি পড়ে, সেখানে ৩ পাউন্ডে অনেকটাই সাশ্রয় হয়। তাই যদি অতিথি সংখ্যা নিয়ে দোটানায় থাকেন, একটু বড় সাইজ নেওয়াই লাভজনক — বাড়তি অংশ পরদিনও দিব্যি খাওয়া যায়। আরও নানা ফ্লেভার ও ডিজাইনের কেক দেখতে আমাদের শপ পেজ ঘুরে আসুন।

বাটারফ্লাই কেকের দাম কেন এমন — ভেতরে কী থাকে

একটা কেকের দাম শুধু ময়দা-চিনির হিসাব নয়। এই ভ্যানিলা স্পঞ্জ বানাতে আমরা তাজা ডিম, ভালো মানের ময়দা, আসল মাখন আর খাঁটি ভ্যানিলা এসেন্স ব্যবহার করি। স্পঞ্জ যাতে হালকা আর ফুরফুরে হয় সেজন্য ডিম আর চিনি অনেকক্ষণ ধরে বিট করা হয় — এই ধাপে তাড়াহুড়ো করলেই কেক ভারী আর শক্ত হয়ে যায়।

বাটারক্রিমটাও ঘরেই তৈরি। মাখন আর আইসিং সুগার একসাথে ফেটিয়ে মসৃণ করা হয়, তারপর ফুড-গ্রেড নীল রঙ মিশিয়ে ঠিক ওই আকাশি শেডটা আনা হয়। নীল রঙটা এমন একটা রঙ যেটা একটু বেশি হলেই কড়া দেখায়, আবার কম হলে ফ্যাকাসে — তাই অল্প অল্প করে মিশিয়ে বারবার দেখে নিতে হয়।

প্রজাপতির কাটআউটগুলো আলাদাভাবে বানানো হয় এবং সেগুলো শক্ত হতে সময় লাগে। ডানার নীল অংশ, ভেতরের শিরা আর কিনারার সোনালি বর্ডার — তিনটে ধাপে হাতে কাজ করতে হয়। ছয়টা প্রজাপতি বানাতে বেশ খানিকটা সময় যায়, আর এই হাতের কাজটুকুই এই কেকটাকে সাধারণ কেক থেকে আলাদা করে দেয়। তাই বাটারফ্লাই কেকের দাম সাদামাটা প্লেইন কেকের চেয়ে সামান্য বেশি হলেও, যে সময় আর যত্ন এতে যায় তার তুলনায় এটা যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত।

কোন কোন উপলক্ষে এই কেক মানানসই

নীল প্রজাপতির এই ডিজাইনটা আশ্চর্যরকম বহুমুখী। ছোট মেয়েদের জন্মদিনে এটা সবচেয়ে বেশি চলে — প্রজাপতি, পার্ল আর নীল রঙের মিশ্রণ বাচ্চাদের কাছে রূপকথার মতো লাগে। তবে শুধু বাচ্চাদের জন্যই নয়, বড়দের জন্মদিনেও এই কেক দারুণ মানায়, কারণ নীল-সোনালি কম্বিনেশনটা বেশ পরিণত আর মার্জিত দেখায়।

  • জন্মদিন — বাচ্চা থেকে বড়, সব বয়সের জন্মদিনে মানানসই
  • বেবি শাওয়ার — নীল থিমের আয়োজনে একদম মিলে যায়
  • ফেয়ারওয়েল ও রিইউনিয়ন — প্রজাপতির প্রতীক নতুন যাত্রার সাথে সুন্দর মেলে
  • বিবাহবার্ষিকী — ঘরোয়া ছোট উদযাপনে হালকা মিষ্টি ভ্যানিলা সবার পছন্দ হয়
  • পরীক্ষার ফল বা সাফল্য উদযাপন — হঠাৎ সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য চমৎকার
  • উপহার হিসেবে — প্রিয়জনের বাড়িতে পাঠিয়ে দিলে চমকে যাবেন তিনি

যাঁরা প্রথমবার কারও জন্য কেক অর্ডার করছেন আর বুঝতে পারছেন না কোন ফ্লেভার নেবেন, তাঁদের জন্য ভ্যানিলা সবচেয়ে নিরাপদ বাছাই। চকলেট অনেকের কাছে ভারী লাগে, স্ট্রবেরি সবার পছন্দ হয় না — কিন্তু ভ্যানিলা স্পঞ্জ প্রায় সবাই পছন্দ করে। বাচ্চা, বয়স্ক মানুষ, সবার জন্যই এটা সহজপাচ্য আর আরামদায়ক স্বাদ।

স্বাদ ও টেক্সচার কেমন

প্রথম কামড়েই স্পঞ্জের নরম ভাবটা টের পাবেন। কেকটা শুকনো নয়, আবার ভেজা ভেজাও নয় — একদম মাঝামাঝি একটা তুলতুলে ভাব, যেটা কাঁটাচামচ দিয়ে সহজে কাটা যায়। ভ্যানিলার সুবাস হালকা কিন্তু স্পষ্ট, নাকে আসে খাওয়ার আগেই।

বাটারক্রিমের মিষ্টি আমরা ইচ্ছে করেই মাঝারি রেখেছি। অনেক দোকানের কেকে ক্রিম এত মিষ্টি হয় যে দুই টুকরোর পর আর খেতে ইচ্ছে করে না। আমাদের ক্রিমে মাখনের স্বাদটা এগিয়ে থাকে, চিনিটা পেছনে — ফলে কেক শেষ করেও গলায় মিষ্টি আটকে থাকার অনুভূতি হয় না। উপরের পার্ল বলগুলো হালকা কুড়মুড়ে, আর প্রজাপতির কাটআউট মুখে দিলে ধীরে ধীরে গলে যায়।

ঝিকরগাছা ও যশোরে ডেলিভারি

আমরা ঝিকরগাছা উপজেলার ভেতরে হোম ডেলিভারি দিই, আর যশোর শহর ও আশপাশের এলাকাতেও পৌঁছে দিই। ঝিকরগাছা বাজার, কপোতাক্ষ পাড়, শংকরপুর, নাভারন সড়ক — এসব এলাকায় নিয়মিত ডেলিভারি যায়। যশোর সদরের দিকে অর্ডার হলে ডেলিভারি চার্জ ও সময় দূরত্ব অনুযায়ী একটু আলাদা হয়, অর্ডার কনফার্ম করার সময় সেটা আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়।

ডেলিভারির সময় কেক শক্ত বোর্ডের উপর বসিয়ে বাক্সে ভরে দেওয়া হয়, যাতে রাস্তায় ঝাঁকুনিতে প্রজাপতিগুলো নড়ে না যায়। গরমের দিনে ক্রিম নরম হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে, তাই সেই সময়টায় আমরা সকালের দিকে বা বিকেলের পরে ডেলিভারি দেওয়ার চেষ্টা করি। চাইলে আপনি নিজেও আমাদের এখান থেকে কেক সংগ্রহ করে নিতে পারেন — অনেকেই তা করেন, বিশেষ করে যখন সময় খুব কম থাকে।

অর্ডার করার সহজ প্রক্রিয়া

অর্ডার দেওয়া খুবই সরল। ওয়েবসাইট থেকে পছন্দের সাইজ বেছে কার্টে যোগ করুন, ডেলিভারির ঠিকানা ও তারিখ লিখুন, আর কেকের উপর কী লেখা চান সেটা নোটে জানিয়ে দিন। এরপর আমরা ফোনে বা হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে সব কিছু নিশ্চিত করে নিই।

  • ধাপ ১ — সাইজ ও ফ্লেভার নির্বাচন করুন
  • ধাপ ২ — ডেলিভারির তারিখ ও সময় বেছে নিন
  • ধাপ ৩ — কেকের উপর কী নাম বা বার্তা লিখতে হবে জানান
  • ধাপ ৪ — ঠিকানা ও ফোন নম্বর দিয়ে অর্ডার নিশ্চিত করুন
  • ধাপ ৫ — নির্ধারিত সময়ে কেক হাতে পান

সাধারণত অন্তত এক দিন আগে অর্ডার করলে ভালো হয়, কারণ প্রজাপতির কাটআউট শুকাতে সময় লাগে। জন্মদিনের ভিড়ের মৌসুমে বা ছুটির দিনে দুই-তিন দিন আগে জানালে নিশ্চিন্ত থাকতে পারবেন। জরুরি প্রয়োজনে একই দিনের অর্ডারও আমরা মাঝে মাঝে নিই, তবে সেটা নির্ভর করে সেদিনের চাপের উপর। অন্যান্য ডিজাইন ও ফ্লেভার দেখতে চাইলে আমাদের সব কেক একবার দেখে নিন।

কেকের যত্ন ও সংরক্ষণ

কেক হাতে পাওয়ার পর সরাসরি রোদ বা গরম জায়গায় রাখবেন না। বাটারক্রিম তাপে নরম হয়ে যায়, আর তাতে প্রজাপতির কাটআউটগুলো হেলে পড়তে পারে। কাটার আগ পর্যন্ত ফ্রিজে রেখে দিন, তবে ডিপ ফ্রিজে নয় — সাধারণ নরমাল চেম্বারই যথেষ্ট।

পরিবেশনের ২০-৩০ মিনিট আগে ফ্রিজ থেকে বের করে রাখুন। ঠান্ডা অবস্থায় স্পঞ্জ একটু শক্ত থাকে, ঘরের তাপমাত্রায় এলে আবার নরম হয়ে আসে আর ভ্যানিলার সুবাসও ভালো ছাড়ে। কাটার সময় ছুরিটা গরম পানিতে ডুবিয়ে মুছে নিলে টুকরোগুলো পরিষ্কার আর সুন্দর হয়। প্রতিবার কাটার পর ছুরি মুছে নিলে ক্রিম লেগে থাকবে না।

বেঁচে যাওয়া অংশ ঢাকনাওয়ালা পাত্রে বা প্লাস্টিক র‍্যাপে ঢেকে ফ্রিজে রাখুন। দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে খেয়ে ফেলাই ভালো — এর পরে স্পঞ্জ শুকিয়ে যেতে শুরু করে আর স্বাদ আগের মতো থাকে না। যেহেতু আমরা কোনো কৃত্রিম প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করি না, তাই তাজা অবস্থাতেই খাওয়াই সবচেয়ে ভালো।

প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

বাটারফ্লাই কেকের দাম সবচেয়ে কম কত থেকে শুরু?

আমাদের এই ভ্যানিলা স্পঞ্জ ব্লু বাটারফ্লাই কেক শুরু হচ্ছে ০.৫ পাউন্ডে ৩২০৳ থেকে, যা ২-৪ জনের জন্য যথেষ্ট। এর পরের ধাপগুলো হলো ১ পাউন্ড ৫০০৳, ১.৫ পাউন্ড ৭৫০৳, ২ পাউন্ড ৯৫০৳ এবং ৩ পাউন্ড ১৪০০৳। ছোট ঘরোয়া আয়োজনের জন্য আধা পাউন্ডই যথেষ্ট, আর অতিথি বেশি হলে বড় সাইজ বেছে নিন।

কেকের উপর নিজের পছন্দের নাম লেখানো যাবে?

অবশ্যই। ছবিতে যে জায়গাটায় চকলেট রঙের হাতে লেখা বার্তা দেখছেন, সেখানে আপনার পছন্দের নাম বা শুভেচ্ছাবার্তা লিখে দেওয়া যায়। অর্ডার দেওয়ার সময় নোটে ঠিক যেভাবে লিখতে চান সেভাবে লিখে দিন — বানান সহ। খুব বড় বাক্য হলে জায়গা কম পড়তে পারে, তাই ছোট ও সহজ বার্তা রাখলে দেখতে সুন্দর হয়।

প্রজাপতিগুলো কি খাওয়া যায়?

হ্যাঁ, কেকের উপরের সব সাজসজ্জাই ভোজ্য উপাদান দিয়ে তৈরি। নীল প্রজাপতির কাটআউট, সোনালি বর্ডার আর সাদা পার্ল বল — সবই খাওয়ার উপযোগী। তবে অনেকে প্রজাপতিগুলো তুলে রেখে ছবি তোলেন বা বাচ্চাদের হাতে দেন, কারণ দেখতে সুন্দর। ছোট বাচ্চাদের দেওয়ার সময় একটু খেয়াল রাখবেন যাতে গিলে ফেলার তাড়াহুড়ো না করে।

কত দিন আগে অর্ডার দিতে হবে?

অন্তত এক দিন আগে অর্ডার দিলে সবচেয়ে ভালো হয়, কারণ প্রজাপতির কাটআউটগুলো আগে থেকে বানিয়ে শুকাতে দিতে হয়। শুক্র-শনিবার বা উৎসবের সময় চাপ বেশি থাকে, তখন দুই-তিন দিন আগে বলে রাখলে নিশ্চিন্ত। একই দিনের জরুরি অর্ডারও কখনো কখনো নেওয়া সম্ভব হয়, তবে আগে ফোনে জেনে নিন সেদিন সম্ভব কি না।

ঝিকরগাছার বাইরে যশোরে ডেলিভারি হয় কি?

হ্যাঁ, যশোর শহর ও আশপাশের এলাকায় আমরা ডেলিভারি দিই। ঝিকরগাছার ভেতরে ডেলিভারি সবচেয়ে দ্রুত ও সহজ, আর যশোর সদরের দিকে গেলে দূরত্ব অনুযায়ী ডেলিভারি চার্জ ও সময় কিছুটা বাড়ে। অর্ডার কনফার্ম করার আগেই আমরা আপনাকে সঠিক চার্জ ও আনুমানিক সময় জানিয়ে দেব, যাতে কোনো চমক না থাকে।

ভ্যানিলার বদলে অন্য ফ্লেভারে এই ডিজাইন পাওয়া যাবে?

এই পেজে দেখানো দাম ও তালিকা ভ্যানিলা স্পঞ্জ বেসের জন্য। অন্য ফ্লেভারে একই নীল প্রজাপতির ডিজাইন করা সম্ভব কি না এবং তাতে দামে কোনো পার্থক্য হবে কি না, তা জানতে অর্ডারের আগে আমাদের সাথে কথা বলে নিন। আমাদের অন্যান্য ফ্লেভার ও ডিজাইন দেখতে শপ পেজটি ঘুরে দেখুন — সেখানে অনেক বিকল্প পেয়ে যাবেন।

শেষ কথা

একটা কেক শুধু মিষ্টি খাবার নয় — সেটা একটা মুহূর্তের স্মৃতি। মোমবাতি নিভিয়ে যখন সবাই হাততালি দেয়, ছবিতে যে কেকটা থাকে সেটাই বছরের পর বছর ফোনের গ্যালারিতে থেকে যায়। এই নীল প্রজাপতির কেকটা ঠিক সেই ছবির জন্যই বানানো — উজ্জ্বল, আলাদা, আর দেখলেই মন ভালো হয়ে যায় এমন।

ঝিকরগাছা ও যশোরে সাশ্রয়ী বাটারফ্লাই কেকের দাম খুঁজতে গিয়ে অনেকেই ভাবেন সুন্দর ডিজাইন মানেই অনেক খরচ। আমরা সেই ধারণাটা বদলাতে চাই। ঘরে বানানো, তাজা উপকরণে তৈরি, হাতে সাজানো একটা কেক আপনি ৩২০৳ থেকেই পেতে পারেন। আজই আপনার পছন্দের সাইজ বেছে অর্ডার করে ফেলুন — আপনার প্রিয় মানুষটির মুখের হাসিটাই হবে আমাদের সবচেয়ে বড় পাওনা।

প্রথমে ওজন / সাইজ সিলেক্ট করুন

রিভিউ ()

রিভিউ

এখনও কোনো রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউটি আপনিই দিন!

ভ্যানিলা স্পঞ্জ কেক – ব্লু বাটারফ্লাই কাটআউট — যশোরের যেসব এলাকায় ডেলিভারি করি

এই কেকটি যশোর শহর ও আশপাশের এলাকায় হোম ডেলিভারি করা হয়। আপনার এলাকা বেছে নিন:

সম্পর্কিত কেক