
ভ্যানিলা স্পঞ্জ কেক – পিংক রোজ ও গ্রিন লিফ
ফুলের কেকের দাম কত — সাদা স্পঞ্জে গোলাপি বাটারক্রিম গোলাপ, সবুজ পাতা ও গোল্ড বিডস। ঝিকরগাছা-যশোরে ৫ সাইজে হোমমেড ডেলিভারি, দাম শুরু ২৭০৳ থেকে।
কেকের তথ্য লেখা মেসেজ তৈরি হয়ে থাকবে — শুধু সেন্ড বোতামে চাপ দিন
প্রোডাক্টের সম্পূর্ণ বিবরণ
ফুলের কেকের দাম কত খুঁজছেন যিনি জন্মদিন, এনিভার্সারি বা যেকোনো আনন্দের মুহূর্তকে আরও একটু বিশেষ করে তুলতে চান, তার জন্য "মেড বাই রোশনি"-র এই ভ্যানিলা স্পঞ্জ কেক একদম আদর্শ একটি বাছাই। ঝিকরগাছা ও যশোর শহরের ঘরে ঘরে আমরা যে হোমমেড কেকগুলো পৌঁছে দিচ্ছি, তার মধ্যে এই পিংক রোজ ডিজাইনটি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করছেন গ্রাহকরা। নরম ভ্যানিলা স্পঞ্জের উপর হাতে বানানো বাটারক্রিম গোলাপ আর সবুজ পাতার কম্বিনেশন দেখতে যেমন এলিগ্যান্ট, খেতেও তেমনি হালকা ও সুস্বাদু।

এই পেজে আমরা বিস্তারিত জানাচ্ছি কেকটির ডিজাইন, সাইজ অনুযায়ী দাম, অর্ডার করার নিয়ম, ডেলিভারি এলাকা এবং কেক সংরক্ষণের সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে। পুরো লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়লে আপনার কেনাকাটার সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেক সহজ হয়ে যাবে।
কেকটি দেখতে কেমন — ডিজাইনের খুঁটিনাটি
ছবিতে যা দেখা যাচ্ছে তা হলো একটি সম্পূর্ণ গোলাকার সাদা ভ্যানিলা স্পঞ্জ কেক, যার উপরিভাগে তিনটি বড় আকারের গোলাপি বাটারক্রিম গোলাপ সাজানো হয়েছে। গোলাপগুলোর পাশে ছোট ছোট গোলাপি ফুল এবং তাজা সবুজ পাতার নকশা যোগ করা হয়েছে, যা পুরো কেকটিকে একটি বাগানের মতো লুক দিয়েছে। গোলাপের মাঝে মাঝে গোল্ড কালারের বিডস বসানো, যা কেকটিতে একটা প্রিমিয়াম আর রাজকীয় আভা যোগ করে।
কেকের গায়ে বাদামি রঙের হাতের লেখায় লেখা রয়েছে "H.B.D Mr. Ahmed", যা প্রমাণ করে এই ডিজাইনটি সহজেই যেকোনো নামের জন্য কাস্টমাইজ করে দেওয়া সম্ভব। কেক বসানোর বোর্ডের চারপাশেও সবুজ পাতা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা পুরো প্রেজেন্টেশনকে আরও প্রাণবন্ত ও ন্যাচারাল করে তুলেছে। এই ছোট ছোট ডিটেইলগুলোই ফুলের কেকের দাম কতকে অন্য সাধারণ কেক থেকে আলাদা করে তুলেছে।
কেন এটি ফুলের কেকের দাম কত হিসেবে বিবেচিত
বাজারে অনেক ভ্যানিলা কেক পাওয়া গেলেও, হাতে বানানো বাটারক্রিম গোলাপের ফিনিশিং সবার পক্ষে নিখুঁতভাবে করা সম্ভব হয় না। আমাদের বেকাররা প্রতিটি গোলাপ যত্ন সহকারে হাতে তৈরি করেন, যাতে প্রতিটি পাপড়ির শেপ স্বাভাবিক ও জীবন্ত দেখায়। এই কারণেই আমরা আত্মবিশ্বাসের সাথে একে ফুলের কেকের দাম কত বলে দাবি করি।
শুধু বাইরের সাজসজ্জা নয়, ভেতরের স্পঞ্জও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আমরা প্রতিদিনের অর্ডার অনুযায়ী তাজা ডিম, মাখন ও প্রিমিয়াম ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে স্পঞ্জ তৈরি করি, যাতে কেক কামড় দিলেই মুখে গলে যাওয়ার মতো নরম অনুভূতি পাওয়া যায়। বাইরের সৌন্দর্য আর ভেতরের স্বাদ — দুটোই একসাথে মেলানোর চেষ্টাই আমাদের প্রতিটি কেকের মূলমন্ত্র।
উপলক্ষ যেখানে এই কেক মানানসই
এই ডিজাইনটি মূলত জন্মদিনের জন্য জনপ্রিয় হলেও, গোলাপ ও সবুজ পাতার এলিগ্যান্ট কম্বিনেশনের কারণে এটি আরও অনেক উপলক্ষে ব্যবহার করা যায়। নিচে কিছু জনপ্রিয় ব্যবহার তুলে ধরা হলো।
- জন্মদিনের উদযাপনে কাস্টম নাম লিখে উপহার দেওয়ার জন্য
- ম্যারেজ অ্যানিভার্সারি বা বিবাহবার্ষিকীর সারপ্রাইজ পার্টিতে
- মা-বাবা বা প্রিয়জনের জন্মদিনের উপহার হিসেবে
- ছোট পারিবারিক পার্টি বা গেট-টুগেদারে ডেজার্ট হিসেবে
- বিশেষ কাউকে ধন্যবাদ জানানোর ছোট্ট আয়োজনে
সাইজ ও দাম — ফুলের কেকের দাম কত প্যাকেজ
পরিবার বা অনুষ্ঠানের অতিথি সংখ্যা অনুযায়ী আমরা পাঁচটি ভিন্ন সাইজ রেখেছি, যাতে আপনি সহজেই নিজের প্রয়োজনমতো সাইজ বেছে নিতে পারেন। নিচের তালিকায় প্রতিটি সাইজের দাম ও আনুমানিক কতজন খেতে পারবেন তা উল্লেখ করা হলো।
- ০.৫ পাউন্ড — ২৭০৳ — ২-৪ জনের জন্য উপযুক্ত
- ১ পাউন্ড — ৪৫০৳ — ৫-৭ জনের জন্য উপযুক্ত
- ১.৫ পাউন্ড — ৭০০৳ — ৮-১০ জনের জন্য উপযুক্ত
- ২ পাউন্ড — ৯০০৳ — ১১-১৪ জনের জন্য উপযুক্ত
- ৩ পাউন্ড — ১৩৫০৳ — ১৬-২০ জনের জন্য উপযুক্ত
ছোট পারিবারিক আয়োজনের জন্য ০.৫ বা ১ পাউন্ড যথেষ্ট, আর বড় জন্মদিন বা অ্যানিভার্সারি পার্টির জন্য ২ থেকে ৩ পাউন্ডের সাইজ বেছে নেওয়াই ভালো। প্রতিটি সাইজেই একই মানের গোলাপি বাটারক্রিম ডিজাইন ও সবুজ পাতার সাজসজ্জা বজায় রাখা হয়।
কাস্টম নাম লেখার সুবিধা
ছবিতে দেখা "H.B.D Mr. Ahmed" লেখাটি একটি উদাহরণ মাত্র। অর্ডার করার সময় আপনি চাইলে যেকোনো নাম বা ছোট বার্তা কেকের উপর লিখে দিতে বলতে পারেন। আমাদের বেকাররা বাদামি রঙের এই এলিগ্যান্ট ফন্টেই আপনার পছন্দের নাম বসিয়ে দেবেন, যাতে কেকটি সম্পূর্ণভাবে ব্যক্তিগতকৃত মনে হয়।
ঝিকরগাছা ও যশোরে ডেলিভারি প্রক্রিয়া
আমরা মূলত ঝিকরগাছা উপজেলা ও যশোর শহরের বিভিন্ন এলাকায় হোমমেড কেক ডেলিভারি করে থাকি। প্রতিটি কেক তৈরি হওয়ার পরপরই বিশেষভাবে প্যাক করে সরাসরি আপনার ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হয়, যাতে বাটারক্রিম গোলাপগুলো পথে নষ্ট না হয়ে যায়। ডেলিভারির সময় আমাদের টিম কেকের বক্সটি সাবধানে হ্যান্ডলিং করে, যাতে ডিজাইনের কোনো ক্ষতি না হয়।
অর্ডার করার আগে অনুগ্রহ করে ঠিকানা, ডেলিভারির তারিখ ও সময় সঠিকভাবে জানিয়ে দিন। জন্মদিন বা অ্যানিভার্সারির মতো নির্দিষ্ট দিনের অনুষ্ঠানের জন্য অন্তত এক দিন আগে অর্ডার করার পরামর্শ দিই, যাতে আমরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে গোলাপগুলো নিখুঁতভাবে সাজাতে পারি।
অর্ডার করার নিয়ম
অর্ডার করা খুবই সহজ। আমাদের শপ পেজ থেকে পছন্দের সাইজ বেছে কার্টে যোগ করুন, এরপর ডেলিভারি ঠিকানা ও তারিখ দিয়ে চেকআউট সম্পন্ন করুন। চাইলে কেকের উপর কাস্টম নাম লেখার অনুরোধও অর্ডার নোটে জানিয়ে দিতে পারেন।
- শপ পেজ থেকে সাইজ নির্বাচন করুন
- ডেলিভারির তারিখ ও সময় নির্ধারণ করুন
- কাস্টম নাম বা বার্তা থাকলে অর্ডার নোটে লিখুন
- ক্যাশ অন ডেলিভারি বা অনলাইন পেমেন্টে অর্ডার নিশ্চিত করুন
কেক সংরক্ষণ ও যত্নের সঠিক পদ্ধতি
বাটারক্রিম দিয়ে সাজানো কেক যেহেতু তাপমাত্রার প্রতি সংবেদনশীল, তাই কেক হাতে পাওয়ার সাথে সাথে যত দ্রুত সম্ভব ফ্রিজে সংরক্ষণ করার পরামর্শ দিই। পরিবেশনের ৩০-৪০ মিনিট আগে ফ্রিজ থেকে বের করে রুম টেম্পারেচারে আনলে স্পঞ্জ আরও নরম ও সুস্বাদু লাগবে।
কেকটি সরাসরি সূর্যের আলো বা গরম জায়গা থেকে দূরে রাখুন, কারণ বাটারক্রিমের গোলাপগুলো গলে গিয়ে ডিজাইন নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কেক কাটার সময় ধারালো ও পরিষ্কার ছুরি ব্যবহার করুন, যাতে প্রতিটি স্লাইস পরিপাটি ও সুন্দর দেখায়।
কেন গ্রাহকরা মেড বাই রোশনিকে বেছে নেন
প্রতিটি কেক অর্ডার অনুযায়ী তাজা তৈরি করা হয়, আগে থেকে বানিয়ে রাখা হয় না। এতে করে ফ্লেভার ও টেক্সচার সবসময় সেরা মানের থাকে। এছাড়া আমাদের বেকিং টিম প্রতিটি গোলাপের ডিটেইলিংয়ে যথেষ্ট সময় দেয়, যাতে ছবির মতোই বাস্তবেও কেকটি সুন্দর দেখায়।
ঝিকরগাছা ও যশোরের অসংখ্য পরিবার ইতিমধ্যে আমাদের কেক দিয়ে তাদের বিশেষ দিনগুলো উদযাপন করেছেন। আপনিও যদি একটি নির্ভরযোগ্য ও সুস্বাদু এই কেকটি খুঁজছেন, তাহলে আজই আমাদের শপ পেজ ঘুরে দেখতে পারেন।
প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
এই কেকে কি কাস্টম নাম লেখা যায়?
হ্যাঁ, ছবিতে দেখানো "H.B.D Mr. Ahmed" এর মতোই আপনি চাইলে যেকোনো নাম বা ছোট বার্তা কেকের উপর লিখিয়ে নিতে পারেন। অর্ডার করার সময় নোটে জানিয়ে দিলেই হবে।
কত জনের জন্য কোন সাইজ উপযুক্ত?
০.৫ পাউন্ড ২-৪ জনের জন্য, ১ পাউন্ড ৫-৭ জনের জন্য, ১.৫ পাউন্ড ৮-১০ জনের জন্য, ২ পাউন্ড ১১-১৪ জনের জন্য এবং ৩ পাউন্ড ১৬-২০ জনের বড় আয়োজনের জন্য উপযুক্ত।
ডেলিভারি কোন কোন এলাকায় পাওয়া যায়?
আমরা মূলত ঝিকরগাছা উপজেলা ও যশোর শহরের বিভিন্ন এলাকায় হোমমেড কেক ডেলিভারি করে থাকি। নির্দিষ্ট এলাকা নিশ্চিত করতে অর্ডারের আগে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
কেক কতক্ষণ আগে ফ্রিজ থেকে বের করে রাখা উচিত?
পরিবেশনের প্রায় ৩০-৪০ মিনিট আগে কেক ফ্রিজ থেকে বের করে রুম টেম্পারেচারে আনলে স্পঞ্জ নরম হয়ে স্বাদ আরও ভালো লাগে। তবে বেশি সময় বাইরে রাখলে বাটারক্রিম গোলাপ নরম হয়ে যেতে পারে।
অর্ডার করার কতদিন আগে জানাতে হবে?
জন্মদিন বা অ্যানিভার্সারির মতো নির্দিষ্ট দিনের জন্য অন্তত এক দিন আগে অর্ডার করার পরামর্শ দিই, যাতে গোলাপ ও ডিজাইনের কাজ যত্ন সহকারে সম্পন্ন করা যায়।
এই কেকটি কেন কেকটি হিসেবে পরিচিত?
হাতে বানানো নিখুঁত বাটারক্রিম গোলাপ, তাজা উপকরণে তৈরি নরম ভ্যানিলা স্পঞ্জ এবং প্রতিটি অর্ডারে যত্নশীল কাস্টমাইজেশনের কারণে গ্রাহকরা একে এই ডিজাইনটি হিসেবে বিবেচনা করেন।
রিভিউ (০)
এখনও কোনো রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউটি আপনিই দিন!
ভ্যানিলা স্পঞ্জ কেক – পিংক রোজ ও গ্রিন লিফ — যশোরের যেসব এলাকায় ডেলিভারি করি
এই কেকটি যশোর শহর ও আশপাশের এলাকায় হোম ডেলিভারি করা হয়। আপনার এলাকা বেছে নিন:





