সারা ঝিকরগাছায় হোম ডেলিভারি — কমপক্ষে একদিন আগে অর্ডার করুন
Made by Roshni
ভ্যানিলা স্পঞ্জ কেক – রেড টিউলিপ ও পার্ল

ভ্যানিলা স্পঞ্জ কেক – রেড টিউলিপ ও পার্ল

টিউলিপ ভ্যানিলা কেক — সাদা গোল কেকে লাল টিউলিপ, সবুজ পাতা ও সিলভার পার্ল, মাঝে সবুজ Sorry লেখা। ঝিকরগাছা ও যশোরে হোম ডেলিভারি, ২৭০৳ থেকে শুরু।

১
প্রথমে ওজন / সাইজ সিলেক্ট করুন

কেকের তথ্য লেখা মেসেজ তৈরি হয়ে থাকবে — শুধু সেন্ড বোতামে চাপ দিন

প্রোডাক্টের সম্পূর্ণ বিবরণ

টিউলিপ ভ্যানিলা কেক এমন একটি কেক যেটা কথা বলতে পারে, যখন আপনার মুখ থেকে কথা বের হয় না। কিছু ভুল আছে যেগুলোর জন্য একটা মেসেজ যথেষ্ট নয়, একটা ফোন কলও যথেষ্ট নয়। সেই মুহূর্তগুলোর জন্যই Made by Roshni-র এই বিশেষ ডিজাইনটি তৈরি। সাদা ক্রিমের শান্ত গোল কেকের উপরে ছড়িয়ে থাকা ছোট ছোট লাল টিউলিপ, তাদের সঙ্গে সবুজ পাতা-ডাল, আর ফুলের পাশে চিকচিক করা সিলভার পার্ল — সব মিলিয়ে এমন একটা চেহারা যা দেখলে রাগ ধরে রাখা কঠিন।

টিউলিপ ভ্যানিলা কেক

মাঝখানে গাঢ় সবুজ অক্ষরে লেখা Sorry। কোনো বাড়তি বর্ডার নেই, কোনো ভারী সাজসজ্জা নেই। শুধু সাদার উপরে লাল-সবুজের এক পরিষ্কার, ভদ্র, আন্তরিক বার্তা। যশোরের ঝিকরগাছা থেকে আমরা এই কেকটি হাতে বানাই, প্রতিটি টিউলিপ আলাদা করে বসাই, এবং একদম ফ্রেশ অবস্থায় আপনার হাতে পৌঁছে দিই। আমাদের আরও ডিজাইন দেখতে আমাদের শপ ঘুরে আসতে পারেন।

টিউলিপ ভ্যানিলা কেক কেন সবার থেকে আলাদা

বাজারে গোলাপ ফুলের কেক অনেক পাওয়া যায়। কিন্তু টিউলিপ ফুলের কেক তুলনামূলকভাবে বিরল, বিশেষ করে যশোর অঞ্চলে। টিউলিপের গঠনটাই আলাদা — গোলাপের মতো ভাঁজে ভাঁজে জটিল নয়, বরং একটা সরল কাপের মতো আকৃতি। এই সরলতার মধ্যেই এর আভিজাত্য। যখন সাদা ক্রিমের উপরে একগুচ্ছ ছোট লাল টিউলিপ বসে, তখন পুরো কেকটা দেখতে লাগে একটা ছোট্ট বাগানের মতো।

আর এই কেকটার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর বার্তা। জন্মদিন বা অ্যানিভার্সারির কেক অনেকেই অর্ডার করেন, কিন্তু একটা ক্ষমা চাওয়ার কেক অর্ডার করতে সাহস লাগে। সেই সাহসটাই সম্পর্ককে বাঁচিয়ে রাখে। আমরা লক্ষ্য করেছি, যারা এই ধরনের কেক পাঠান, তাদের গল্পগুলো সবচেয়ে সুন্দর হয়।

ডিজাইন: কেকটি দেখতে ঠিক কেমন

কেকের বেসটি একটি সাদা গোল কেক — মসৃণ, পরিষ্কার সাদা ক্রিম ফিনিশিং। উপরের সমতল অংশে এবং কেকের পাশের গায়ে ছড়ানো রয়েছে ছোট ছোট লাল টিউলিপ ফুল। প্রতিটি টিউলিপের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে সবুজ পাতা ও সরু ডাল, যা ফুলগুলোকে সত্যিকারের গাছ থেকে তোলা মনে হওয়ার অনুভূতি দেয়।

ফুলগুলোর ঠিক পাশেই বসানো আছে ছোট ছোট সিলভার পার্ল। এই রুপালি মুক্তোগুলো আলো পড়লে চিকচিক করে ওঠে এবং লাল-সবুজ-সাদার সংমিশ্রণে একটা উজ্জ্বল ছোঁয়া যোগ করে। কেকের একদম মাঝখানে গাঢ় সবুজ অক্ষরে লেখা রয়েছে Sorry — লেখাটি পাতার সবুজের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া, ফলে পুরো ডিজাইনটি একটি রঙের পরিবারের মধ্যেই থাকে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই কেকে কোনো ধরনের বর্ডার ব্যবহার করা হয়নি। নিচে বা উপরে কোনো ক্রিমের পাইপিং লাইন নেই। এই বর্ডারবিহীন ডিজাইনই কেকটিকে দেয় একটা আধুনিক, মিনিমাল ও পরিচ্ছন্ন চেহারা, যা আজকাল ছবিতে সবচেয়ে সুন্দর দেখায়।

টিউলিপ ভ্যানিলা কেক কোন কোন উপলক্ষে মানানসই

যদিও লেখাটি Sorry, তবুও এই ডিজাইনের ব্যবহার শুধু ক্ষমা চাওয়াতেই সীমাবদ্ধ নয়। আমরা চাইলে লেখাটি বদলে দিতে পারি, ডিজাইনের বাকি সৌন্দর্য একই রেখে। তবে যে যে পরিস্থিতিতে এই কেকটি সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে, সেগুলো নিচে দেওয়া হলো।

  • স্ত্রী বা স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর — কথা না বাড়িয়ে সরাসরি একটা মিষ্টি সমাধান।
  • প্রেমিক-প্রেমিকার অভিমান ভাঙাতে — ফোনে ব্লক করা থাকলেও কেক দরজায় পৌঁছে যায়।
  • বন্ধুর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির পর — পুরনো বন্ধুত্ব ফিরিয়ে আনার সবচেয়ে সহজ উপায়।
  • বাবা-মায়ের কাছে ক্ষমা চাইতে — যে কথাটা মুখে বলা যায় না, সেটা কেকে লেখা যায়।
  • ভাইবোনের সঙ্গে মিটমাট করতে — ঘরের ভেতরের ছোট ঝগড়ার বড় সমাধান।
  • সহকর্মী বা টিম মেম্বারের কাছে দুঃখ প্রকাশে — অফিসেও ভদ্রতার সুন্দর প্রকাশ।
  • জন্মদিন মিস করে ফেললে — দেরিতে হলেও উইশ, সঙ্গে ক্ষমা।
  • যেকোনো ছোট্ট ভুলের পর — যা বড় হওয়ার আগেই মিটিয়ে ফেলা ভালো।

এই টিউলিপ ভ্যানিলা কেক আসলে একটা সেতু। রাগ আর ভালোবাসার মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা সেতু, যেটার উপর দিয়ে দুজন মানুষ আবার একে অপরের কাছে ফিরে আসতে পারে।

ভ্যানিলা স্পঞ্জের স্বাদ ও গঠন

ভ্যানিলা স্পঞ্জ হলো সেই স্বাদ যা কেউ অপছন্দ করে না। ছোট বাচ্চা থেকে শুরু করে বয়স্ক মানুষ — সবাই স্বচ্ছন্দে খেতে পারেন। চকলেটের মতো ভারী নয়, আবার একদম পানসেও নয়। মাঝামাঝি একটা মিষ্টি, নরম, হালকা স্বাদ, যেটা মুখে দিলে গলে যায়।

আমরা প্রতিটি স্পঞ্জ বেক করি অর্ডার পাওয়ার পর। আগে থেকে বানিয়ে রাখা কেক ফ্রিজে রেখে দেওয়া হয় না। ফলে কেকটি যখন আপনার হাতে পৌঁছায়, তখন এর ভেতরের আর্দ্রতা অক্ষুণ্ণ থাকে, স্পঞ্জ শক্ত হয়ে যায় না।

ভ্যানিলা এসেন্স ব্যবহার করা হয় পরিমিত মাত্রায় — এত বেশি নয় যে গন্ধে মাথা ধরে, আবার এত কম নয় যে স্বাদ পাওয়া যায় না। উপরের ক্রিমটিও অতিরিক্ত মিষ্টি নয়, কারণ আমরা জানি বাংলাদেশি ঘরোয়া রুচিতে অতিরিক্ত মিষ্টি ক্রিম অনেকের কাছেই বিরক্তিকর লাগে।

দাম ও সাইজ — কতজনের জন্য কোনটি

কেক অর্ডার করার সময় সবচেয়ে সাধারণ ভুল হলো সাইজ বেছে নেওয়ায় ভুল। অনেকে কম নিয়ে ফেলেন, ফলে সবার ভাগে ঠিকমতো পড়ে না। আবার অনেকে বেশি নিয়ে ফেলেন, ফলে কেক নষ্ট হয়। তাই নিচে প্রতিটি সাইজের সঙ্গে আনুমানিক কতজন মানুষ খেতে পারবেন সেটাও উল্লেখ করে দিলাম।

  • ০.৫ পাউন্ড — ২৭০৳ — ২-৪ জনের জন্য। দুজনের ছোট্ট মিটমাট বা ঘরোয়া মুহূর্তের জন্য আদর্শ।
  • ১ পাউন্ড — ৪৫০৳ — ৫-৭ জনের জন্য। সবচেয়ে বেশি অর্ডার হওয়া সাইজ, ছোট পরিবারের জন্য পারফেক্ট।
  • ১.৫ পাউন্ড — ৭০০৳ — ৮-১০ জনের জন্য। পরিবারের সবাই ও দু-একজন অতিথি থাকলে এটি নিন।
  • ২ পাউন্ড — ৯০০৳ — ১১-১৪ জনের জন্য। বড় পরিবার বা ছোট গেট-টুগেদারের উপযুক্ত।
  • ৩ পাউন্ড — ১৩৫০৳ — ১৬-২০ জনের জন্য। অফিস টিম বা বড় আয়োজনের জন্য সেরা পছন্দ।

সাইজ যত বড় হয়, ডিজাইনের ক্ষেত্রফলও তত বাড়ে। অর্থাৎ ২ বা ৩ পাউন্ডের কেকে টিউলিপ ফুল ও সিলভার পার্ল আরও বেশি জায়গা জুড়ে ছড়িয়ে বসানো যায়, ফলে দেখতে আরও জমকালো লাগে। ছোট সাইজে ডিজাইনটি কমপ্যাক্ট ও কিউট দেখায়।

কোন সাইজটি আপনার জন্য

যদি কেকটি শুধু একজন মানুষকে দেওয়ার জন্য হয় এবং আপনারা দুজন মিলে খাবেন, তাহলে ০.৫ পাউন্ডই যথেষ্ট। যদি বাসার সবাই মিলে খাবেন, তাহলে ১ পাউন্ড নিন। আর যদি কেকটি অন্যদের সামনে উপস্থাপন করার পরিকল্পনা থাকে — অর্থাৎ ছবি তোলা হবে, সবাই দেখবে — তাহলে ১.৫ পাউন্ড থেকে শুরু করুন, কারণ বড় ক্যানভাসে ডিজাইনটি অনেক বেশি ফুটে ওঠে।

অর্ডার করার সহজ প্রক্রিয়া

আমাদের অর্ডার প্রক্রিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে সহজ রাখা হয়েছে। জটিল ফর্ম বা অ্যাপ ডাউনলোডের ঝামেলা নেই। ওয়েবসাইটে সব কেক দেখুন পেজ থেকে পছন্দের ডিজাইন বেছে নিয়ে সাইজ সিলেক্ট করুন, তারপর কার্টে যোগ করে চেকআউট করুন।

চেকআউটে আপনার নাম, মোবাইল নম্বর, ডেলিভারির ঠিকানা এবং কোন তারিখে কেকটি লাগবে সেটি লিখুন। যদি কেকের উপরের লেখাটি বদলাতে চান, বা কোনো বিশেষ নির্দেশনা থাকে, সেটি নোট বক্সে লিখে দিন। আমরা অর্ডার নিশ্চিত করার জন্য ফোন করব।

অর্ডার দেওয়ার সবচেয়ে ভালো সময় হলো কেক লাগার অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে। কারণ ফুল বসানো ও ডিটেইলিংয়ের কাজ হাতে করা হয়, এতে সময় লাগে। জরুরি প্রয়োজনে সেইম-ডে ডেলিভারিও সম্ভব, তবে সেক্ষেত্রে আগে ফোনে জানিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন যে সেই দিনের স্লট খালি আছে কি না।

পেমেন্ট কীভাবে করবেন

ঝিকরগাছার ভেতরে ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধা রয়েছে — কেক হাতে পেয়ে টাকা দিন। যশোর শহর বা আশপাশের এলাকার জন্য আমরা সাধারণত বিকাশ বা নগদে অগ্রিম নিয়ে থাকি, কারণ কাস্টম লেখা ও ডিজাইনের কেক অন্য কারও কাছে বিক্রি করা সম্ভব হয় না।

ঝিকরগাছা ও যশোরে ডেলিভারি

Made by Roshni-র ঘরটি ঝিকরগাছায়। তাই ঝিকরগাছা বাজার, কলেজ রোড, হাসপাতাল এলাকা, রেলস্টেশন এলাকাসহ পুরো ঝিকরগাছা উপজেলার ভেতরে আমরা দ্রুততম সময়ে কেক পৌঁছে দিতে পারি। এখানে ডেলিভারি চার্জ সবচেয়ে কম।

যশোর সদর, নাভারণ, শার্শা, চৌগাছা, বাঘারপাড়া এবং আশপাশের এলাকাতেও আমরা ডেলিভারি করি। দূরত্ব অনুযায়ী চার্জ কিছুটা বাড়ে, এবং সময়ও একটু বেশি লাগে। অর্ডার কনফার্ম করার সময় আপনার নির্দিষ্ট এলাকার চার্জ ও আনুমানিক সময় আমরা জানিয়ে দেব।

এই ধরনের ক্ষমা চাওয়ার কেকের ক্ষেত্রে একটা বিশেষ সুবিধা আমরা দিয়ে থাকি — সারপ্রাইজ ডেলিভারি। আপনি চাইলে আমরা সরাসরি সেই ব্যক্তির ঠিকানায় কেকটি পৌঁছে দিতে পারি, আপনার নাম না বলে বা বলে, যেভাবে আপনি চান। অনেকে এই উপায়ে দারুণ সাড়া পেয়েছেন।

ডেলিভারির সময় কেক কীভাবে সুরক্ষিত থাকে

প্রতিটি কেক শক্ত বেসবোর্ডের উপর বসিয়ে উঁচু কেক বক্সে প্যাক করা হয়, যাতে উপরের টিউলিপ ফুল বক্সের ঢাকনায় লেগে না যায়। ডেলিভারির সময় বক্সটি সবসময় সমতলভাবে বহন করা হয়। গরমের দিনে আমরা দিনের তুলনামূলক ঠান্ডা সময়ে ডেলিভারির চেষ্টা করি, যাতে ক্রিম গলে না যায়।

কেকের যত্ন ও সংরক্ষণ

ক্রিম দিয়ে সাজানো কেকের যত্ন কীভাবে নিতে হয়, সেটা অনেকেই জানেন না। ফলে সুন্দর কেক কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঝুলে পড়ে বা নেতিয়ে যায়। নিচের নিয়মগুলো মানলে কেকটি অনেকক্ষণ ঠিক আগের মতোই সুন্দর থাকবে।

  • কেক হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফ্রিজের নরমাল চেম্বারে রাখুন, ডিপ ফ্রিজে নয়।
  • কাটার ৩০-৪০ মিনিট আগে ফ্রিজ থেকে বের করুন, তাহলে স্পঞ্জ নরম হয়ে সঠিক স্বাদ দেবে।
  • সরাসরি রোদ বা চুলার গরমের কাছে কখনও রাখবেন না, ক্রিম গলে ফুলের আকৃতি নষ্ট হবে।
  • সিলভার পার্লগুলো ছোট ও শক্ত, তাই বাচ্চাদের পরিবেশনের আগে সরিয়ে নিন।
  • কাটার আগে ছুরিটি গরম পানিতে ডুবিয়ে মুছে নিন, স্লাইস পরিষ্কার হবে।
  • কাটা কেক ঢেকে ফ্রিজে রাখলে পরদিনও খাওয়া যায়, তবে ২ দিনের মধ্যে শেষ করাই ভালো।
  • বক্স থেকে বের করার সময় কেকের বেসবোর্ড ধরে তুলুন, কেকের গায়ে হাত দেবেন না।

মনে রাখবেন, আমাদের কেকে কোনো কৃত্রিম প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয় না। এটাই হোমমেড কেকের সৌন্দর্য এবং একই সঙ্গে এর সীমাবদ্ধতা — এটি দোকানের কেকের মতো এক সপ্তাহ ভালো থাকবে না, কিন্তু স্বাদে ও নিরাপত্তায় অনেক এগিয়ে থাকবে।

কেন Made by Roshni থেকে নেবেন

আমরা কোনো ফ্যাক্টরি নই। প্রতিটি কেক একটি ঘরের রান্নাঘরে, নিজের পরিবারের জন্য যেভাবে বানানো হয় ঠিক সেভাবেই বানানো হয়। ডিম, দুধ, মাখন, ময়দা — সব উপকরণ স্থানীয় বিশ্বস্ত দোকান থেকে কেনা এবং তাজা।

দ্বিতীয়ত, আমরা ছবির সঙ্গে বাস্তবের মিল রাখার ব্যাপারে কঠোর। যে ডিজাইন আপনি দেখে অর্ডার করছেন, ডেলিভারিতে সেটাই পাবেন। হাতে বানানো বলে সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু ফুলের সংখ্যা, রং বা লেখার ধরন বদলে যাবে না।

তৃতীয়ত, দাম। ২৭০৳ থেকে শুরু হওয়া এই কেকটি ডিজাইনের মান বিবেচনায় যশোর অঞ্চলে যথেষ্ট সাশ্রয়ী। আমরা মাঝখানে কোনো দালাল রাখি না, তাই দামটাও সরাসরি ও সৎ। আরও ডিজাইন ও দামের তুলনা করতে আমাদের কেক কালেকশন দেখুন।

টিউলিপ ভ্যানিলা কেক নিয়ে গ্রাহকদের অভিজ্ঞতা

এই ডিজাইনটি নিয়ে আমরা যত ফিডব্যাক পেয়েছি, তার বেশিরভাগেই একটা কথা ঘুরেফিরে এসেছে — "কাজ হয়েছে।" একজন গ্রাহক জানিয়েছিলেন, তিন দিন কথা বন্ধ থাকার পর এই কেকটি পাঠানোর পর সন্ধ্যাতেই তার স্ত্রী নিজে থেকে ফোন করেছিলেন।

আরেকজন ক্রেতা এই টিউলিপ ভ্যানিলা কেক পাঠিয়েছিলেন তার বড় বোনের কাছে, দীর্ঘদিনের পারিবারিক মনোমালিন্য মেটাতে। তিনি বলেছিলেন, কেকের সাদা রং আর লাল টিউলিপের সরলতাই নাকি পরিবেশটা নরম করে দিয়েছিল। এই গল্পগুলোই আমাদের কাজ করার প্রেরণা।

প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

কেকের উপরের Sorry লেখাটি কি বদলানো যাবে?

হ্যাঁ, অবশ্যই। আপনি চাইলে সেখানে নাম, শুভেচ্ছাবার্তা বা অন্য যেকোনো ছোট বাক্য লিখিয়ে নিতে পারেন। অর্ডারের নোট বক্সে ঠিক যেভাবে লিখতে চান সেভাবে লিখে দিন। লেখা বদলালেও টিউলিপ, পাতা ও সিলভার পার্লের ডিজাইন একই থাকবে এবং দামেরও কোনো পরিবর্তন হবে না।

টিউলিপ ফুলগুলো কি খাওয়া যায়?

হ্যাঁ, ফুল ও পাতা দুটোই ভোজ্য ক্রিম দিয়ে হাতে তৈরি, তাই নিশ্চিন্তে খেতে পারেন। তবে সিলভার পার্লগুলো ছোট ও শক্ত ধরনের সাজসজ্জার উপকরণ, তাই ছোট বাচ্চাদের পরিবেশনের আগে সেগুলো সরিয়ে নেওয়াই নিরাপদ ও বুদ্ধিমানের কাজ।

কত আগে অর্ডার দিতে হবে?

সবচেয়ে ভালো হয় অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে অর্ডার দিলে। এতে আমরা নিরিবিলিভাবে প্রতিটি ফুল হাতে বসিয়ে ডিজাইনটি নিখুঁত করতে পারি। জরুরি প্রয়োজনে একই দিনে ডেলিভারিও সম্ভব হতে পারে, তবে আগে ফোনে জানিয়ে সেই দিনের স্লট খালি আছে কি না নিশ্চিত করে নিন।

যশোর শহরে ডেলিভারি হয় কি?

হ্যাঁ, যশোর সদরসহ নাভারণ, শার্শা, চৌগাছা ও বাঘারপাড়াতেও আমরা ডেলিভারি করি। ঝিকরগাছার ভেতরে চার্জ সবচেয়ে কম, দূরত্ব বাড়লে চার্জ কিছুটা বাড়ে। অর্ডার কনফার্ম করার সময় আপনার এলাকার সঠিক চার্জ ও আনুমানিক ডেলিভারি সময় জানিয়ে দেওয়া হবে।

কেকটি কি সরাসরি অন্য কারও ঠিকানায় পাঠানো যাবে?

হ্যাঁ, এটি আমাদের অন্যতম জনপ্রিয় সুবিধা। আপনি অর্ডার করবেন, আর আমরা কেকটি সরাসরি সেই ব্যক্তির ঠিকানায় পৌঁছে দেব। আপনার নাম প্রকাশ করতে চান কি না, সেটাও আপনি ঠিক করবেন। সারপ্রাইজ ডেলিভারির জন্য নোটে সেটি উল্লেখ করে দিন।

একজনের জন্য কোন সাইজটি নেওয়া উচিত?

শুধু একজনকে দেওয়ার জন্য হলে ০.৫ পাউন্ড (২৭০৳) যথেষ্ট, দুজন মিলে আরাম করে খেতে পারবেন। তবে বাসার সবাই মিলে খাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে ১ পাউন্ড (৪৫০৳) নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ, কারণ এই সাইজে ডিজাইনটিও অনেক বেশি ফুটে ওঠে।

শেষ কথা

ভুল করা মানুষের স্বভাব, কিন্তু ভুল স্বীকার করা সাহসের কাজ। সেই সাহসটুকু দেখানোর জন্য যদি একটু সাহায্য লাগে, তাহলে এই কেকটি আপনার পাশে আছে। সাদা ক্রিম, লাল টিউলিপ, সবুজ পাতা আর রুপালি মুক্তো — এতটুকু দিয়েই অনেক বড় দূরত্ব মুছে ফেলা সম্ভব।

আজই অর্ডার করুন এই টিউলিপ ভ্যানিলা কেক এবং সম্পর্কটিকে আবার আগের জায়গায় ফিরিয়ে আনুন। Made by Roshni-র ঝিকরগাছার রান্নাঘর থেকে তাজা বেক করা কেক পৌঁছে যাবে আপনার নির্দিষ্ট ঠিকানায়, ঠিক সময়ে, ঠিক সেই চেহারায় যেটা আপনি ছবিতে দেখেছেন। কারণ কিছু কথা মুখে বলার চেয়ে মিষ্টি করে বলাই ভালো।

প্রথমে ওজন / সাইজ সিলেক্ট করুন

রিভিউ (০)

০
০ রিভিউ
৫
০
৪
০
৩
০
২
০
১
০

এখনও কোনো রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউটি আপনিই দিন!

ভ্যানিলা স্পঞ্জ কেক – রেড টিউলিপ ও পার্ল — যশোরের যেসব এলাকায় ডেলিভারি করি

এই কেকটি যশোর শহর ও আশপাশের এলাকায় হোম ডেলিভারি করা হয়। আপনার এলাকা বেছে নিন:

সম্পর্কিত কেক